৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক  ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা বাড়বকুণ্ড স্কয়ার মিলনায়তনে আজ(২৭আগস্ট) বৃহস্পতিবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া।  বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক,বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোহসীন জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে  ও সদস্য সচিব  মো আয়ুব আলীর পরিচালনায়   অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের  সদস্য গোলাম রব্বানী, সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কিশোর কান্তি ভৌমিক, মো সাঈদ মিয়া, ,মো সামসু উদ্দীন, রতন মিত্র, উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক   ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহেদ চৌধুরী ফারুক, ছাএলীগের আহবায়ক শায়েস্তা খান, ছাএলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো জামসেদ, আওয়ামী লীগ নেতা মো রবিউল হোসেন, মো জামাল মেন্বার,ত্রাণ কমিটির আহবায়ক মো হেলাল,  আবদুল আউয়াল টনিক, এডভোকেট মো আতাউল গণি জামসেদ,  মো আবদুল হাদি, মো আবুল কাসেম চৌধুরী, মো জামসেদ,মো ঈমাম হোসেন , মো জুলফিকার উদ্দিন,  বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা  মো এমরান হোসেন, মো রাজু, মো মুন্না, মো সাদমান প্রমুখ।সভার শুরুতে কোরআন তেলোয়াত করেন বাড়বকুণ্ড জামে মসজিদের ঈমান  মো শাহীন।

সভায় প্রধান অতিথি আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া বলেন,  এ মাসের ১৫আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। নরপিশাচরূপী খুনিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, সেই হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি আইন জারি করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্কের বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়। জাতির পিতার সুযোগ্যকন্যা  জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত সরকার বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে ঘাতকদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করে। সেই ১৫আগস্টের ঘাতকচক্র এখনও থেমে থাকেনি উল্লেখ করে বাকের ভূঁইয়া আরো বলেন,বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২১আগস্ট আওয়ামী লীগের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাবেশে চালানো হয় নজিরবিহীন হত্যাযজ্ঞ।বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করাই ছিল ওই গ্রেনেড হামলা ও গুলিবর্ষণের উদ্দেশ্য। সেদিন গ্রেনেডের আঘাতে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ মোট  ২৩  জন নেতাকর্মী প্রাণ হারান।

আর পড়ুন:   সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা সাংবাদিকদের