৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

তিনবছর পূর্ণ হলো আজ রোহিঙ্গা আগমনের । মিয়ানমারের আরাকানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সে দেশের সেনারা হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে জীবন বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। এই দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে রোহিঙ্গারা।

এবারো দিবসটি পালনের জন্য উদ্যোগ নেয়া হলেও বিগত বছরের মহাসমাবেশের ধাক্কায় এবার রোহিঙ্গাদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তবে রোহিঙ্গা নেতারা পুরনো দাবির গল্প এখনো বলে আসছে।

দাবির মধ্যে রয়েছে— ১. রোহিঙ্গারা আরাকানের স্থানীয় আদিবাসী এবং সে জন্য তাদের ন্যাটিভ স্ট্যাটাস বা স্থানীয় মর্যাদা সংসদে আইন করে পুনর্বহাল করতে হবে যার আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি থাকতে হবে। ২. নাগরিকত্ব : প্রথমত, আরাকান রাজ্যে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের সিটিজেন কার্ড দিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরও সিটিজেনশিপ কার্ড দিয়ে প্রত্যাবাসন করে স্থানীয় নাগরিক মর্যাদা দিতে হবে। তৃতীয়ত, একই সাথে বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় থাকা রোহিঙ্গাদের সিটিজেনশিপ কার্ড দিয়ে স্থানীয় নাগরিক মর্যাদা দিতে হবে।

৩. প্রত্যাবাসন : রোহিঙ্গাদের তাদের নিজস্ব গ্রামে ফিরিয়ে নিতে হবে এবং তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া জমিজমা যথাযথ ক্ষতিপূরণসহ ফেরত দিতে হবে।

৪. নিরাপত্তা : আরাকানে রোহিঙ্গাদের জীবন ও সম্পদ রক্ষার জন্য রোহিঙ্গা পুলিশবাহিনীর সাথে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

৫. জবাবদিহিতা : বার্মার স্থানীয় আদালতের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসির মতো কোনো ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনালে অপরাধীদের বিচার করতে হবে। শুরুর দিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কিছুটা আলাপ-আলোচনা হলেও বর্তমানে থমকে গেছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সব ধরনের আলোচনা। মাঝখানে দু’বার সরকারিভাবে প্রত্যাবাসনের সব আয়োজন হলেও কোনো রোহিঙ্গাই ফিরে যেতে রাজি হয়নি নিজ দেশে। বরং জুড়ে দিয়েছে নতুন শর্ত। এতে অন্ধকারে তলিয়ে গেছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন।

এদিকে ৩ বছরে রোহিঙ্গাদের কর্মকাণ্ডে কেবল অতিষ্ঠ নয় বরং রোহিঙ্গাদের নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের। কারণ রোহিঙ্গারাই এখন স্থানীয়দের গুম-খুনসহ নানান অপরাধ করতে দ্বিধা করছে না।

আর সব অপরাধ ধামাচাপা দিতে ব্যস্ত থাকে একটি সুবিধাভোগী মহল। এতে রোহিঙ্গাদের নিয়ে আগামী দিনের কথা চিন্তা করে রীতিমত অস্থিরতায় আছে স্থানীয়রা। এদিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের অন্য ভাসানচরসহ অন্য জেলায় বা অন্য কোনো দেশে স্থানান্তর করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে আসতে থাকে রোহিঙ্গারা। এই সংখ্যা কিছুদিনের মধ্যে সাত লাখ ছাড়ায়।

আগে থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা। তাদের কক্সবাজারের ৩৪টি কেন্দ্রে আশ্রয় দিয়ে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তায় জরুরি মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকার।

আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে ২০১৭ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও নানা কারণে প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রত্যাবাসন শুরুর তারিখ ঠিক হলেও নতুন করে নিপীড়নের মধ্যে পড়ার আশঙ্কা থেকে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়।

প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের উদ্যোগকে ‘প্রতারণা’ বলছেন কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের একটি সংগঠনের একজন নেতা। আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস নামের সংগঠনের চেয়ারম্যান মুহিব উল্লাহ বলছেন, মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জায়গা এখনো নিরাপদ নয়।

আর পড়ুন:   আজ শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

তাদের নিয়ে যদি ক্যাম্পে রাখা হয় তাহলে বাংলাদেশের ক্যাম্পই তাদের জন্য ভালো। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর দ্বিতীয় চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার দুদিন পর আপত্তির কারণ বললেন তিনি।

গত তিন বছরে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ এবং কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পূরণের অজুহাতে রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহের কারণে বারবার প্রত্যাবাসন আটকে রোহিঙ্গা সমস্যা দীর্ঘস্থায়িত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যে কারণে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

অন্যদিকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার বাস্তবে আগ্রহী না হলেও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তারা প্রত্যাবাসন নিয়ে নানা ছলচাতুরি করছে।

রোহিঙ্গারা মনে করেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের জন্য এখনো নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়নি। আবার সেখানে ফিরে গেলে মিয়ানমার তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবে না এবং অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতদের জন্য তৈরি করা ক্যাম্পে প্রায় জিম্মি অবস্থায় তাদের রাখা হবে।

এ ধরনের নানা রকম অবিশ্বাস কাজ করছে রোহিঙ্গাদের মধ্যে। টেকনাফ রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক বলেন, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর উখিয়া টেকনাফের ১২টি পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা।

আগে আসা রোহিঙ্গাসহ বর্তমানে ৩৪টি ক্যাম্পে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে। যেটা পৃথিবীর সর্ববৃহৎ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ইতোমধ্যে ঘোষণা হয়েছে। আমরা দেখেছিলাম সরকার প্রথমদিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য কয়েকটি চুক্তি করেছিল।

মিয়ানমারের প্রতিনিধি এসেছিল, বাংলাদেশের প্রতিনিধিও মিয়ানমারে গিয়েছিল। প্রত্যাবাসন নিয়ে একটি আলোচনা হয়েছিল কিন্তু সম্প্রতি বছর খানেক ধরে সেই আলোচনাও আর দেখা যাচ্ছে না।

রোহিঙ্গাদের কারণে এখন স্থানীয়রা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। কারণ তারাই এখন স্থানীয়দের অপহরণ করে গুম-খুন করতে দ্বিধা করছে না। টেকনাফের যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক, উখিয়ার ব্যবসায়ীসহ অসংখ্য স্থানীয়দের অপহরণ করে হত্যাসহ চাঁদা আদায় করেছে রোহিঙ্গারা কিন্তু সেই রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কি বা ব্যবস্থা নিয়েছে? বরং সুবিধাভোগী মহলের পৃষ্ঠপোষকতায় তারা পার পেয়ে গেছে। এখন আমাদের রোহিঙ্গাদের সমীহ করে চলার মতো অবস্থা হয়ে গেছে।

এই অবস্থা চলতে থাকলে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হতে পারে। তাই প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত ভাসানচরসহ অন্য জেলায় বা তৃতীয় কোনো দেশে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করার দাবি জানান তিনি। এ ব্যাপারে জেলা  প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যবাসন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না এটা ঠিক না।

উচ্চপর্যায়ে সব সময় এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে তবে সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতির কারণে সবকিছুতে স্থবিরতা বিরাজ করছে, সে হিসেবে হয়তো প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা বেশি প্রচার পাচ্ছে না। তবে আমরাও চাই দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হোক। কারণ কক্সবাজারকে বাঁচাতে হলে রোহিঙ্গা প্রত্যবাসনের কোনো বিকল্প নেই।

কূটনৈতিক পদ্ধতিতেই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের আশাবাদ : দেরিতে হলেও রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে বলে আশাবাদ দেশি-বিদেশি কূটনীতিকদের। আর সেই সমাধান কূটনৈতিকভাবে হবে বলেও মনে করছেন তারা।

গতকাল সোমবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকার কানাডিয়ান হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে রোহিঙ্গা ইস্যুতে এক ওয়েবিনার আয়োজিত হয়। এতে দেশি-বিদেশি রাজনীতিক ও কূটনীতিকরা অংশ নেন।

এতে বক্তব্য রাখেন মালেশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. সাঈদ হামিদ আলবার, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনোইট প্রেফোনটাইনি, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রদূত শহীদুল হক এবং বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। সঞ্চালনা করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ইশরাত জাহান সুলতানা। এতে সমাপনী বক্তব্য রাখেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম।

আর পড়ুন:   আমরা বাংলা ছাড়তে দেব না কাউকে

‘রোহিঙ্গা সমস্যা : পশ্চিমা, এশিয়ান এবং দ্বিপক্ষীয় প্রসঙ্গ’ শীর্ষক এ ওয়েবিনারে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার সমস্যার সমাধান হবে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গেলে একজন মানুষের হৃদয় ভেঙে যাবে তাদের ওপর বার্মিজ বাহিনীর বর্বরতা দেখে।

তবুও আমরা আশা রাখছি কূটনৈতিক পদ্ধতিতেই এ সমস্যার সমাধান হবে। আর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ একা নয়। আমাদের সবার দায়িত্ব আছে। ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এখন পর্যন্ত ৯৫১ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা বাংলাদেশ সরকারকে দিয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের সহায়তা বাংলাদেশের প্রতি আমাদের অব্যাহত রাখবে।’

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেন, বাংলাদেশ সব সময় মিয়ানমারকে সমর্থন করেছে। সেই ২০১৪ সাল থেকে জাতিসংঘের যেকোনো রেজ্যুলেশনে সব সময় মিয়ানমারের পক্ষে বাংলাদেশ সমর্থন দিয়েছে। ত্রিপক্ষীয় যেকোনো সমস্যায় বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজেছে। আগেও দুবার রোহিঙ্গা ইস্যুতে এই পদ্ধতি সফল হয়েছে।

কিন্তু এবার হয়নি। মিয়ানমার শুরু থেকেই সময়ক্ষেপণ করে আসছে। আমাদের সম্মানিত প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচিকে দুবার বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আসেননি। তারপরও বাংলাদেশকে কূটনৈতিক পদ্ধতিতে এ সমস্যা সমাধানে কাজ করে যেতে হবে।

কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনোইট প্রেফোনটাইনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নিজেদের অবস্থান থেকে কাজ করে যাচ্ছে কানাডা সরকার। এক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো মানবিক সমস্যা সমাধানে অবদান রাখা, মিয়ানমারের ওপর চাপ বজায় রাখা, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা ও রোহিঙ্গাদের কণ্ঠ প্রসারের সুযোগ করে দেয়া।

অন্যদিকে মিয়ানমারের প্রতি বাংলাদেশ সব সময় প্রতিবেশীসুলভ আচরণ করে আসছে উল্লেখ করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, কঠিন যে বাস্তবতা আমাদের মনে রাখতে হবে সেটি হচ্ছে মিয়ানমার আমাদের প্রতিবেশী। সে দিক থেকে বাংলাদেশ মিয়ানমারের প্রতি সব সময় এক আদর্শ প্রতিবেশীর মতো আচরণ করে এসেছে।

কিন্তু অনেক সময়ই মিয়ানমার সেই জায়গা থেকে বিচ্যুত ছিলো। রোহিঙ্গা সমস্যার শুরু থেকে বাংলাদেশে কূটনৈতিকভাবে সমাধান করতে চেয়েছে। দুবার আমরা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ সমর্থন করেছি কিন্তু তারা তাদের দেশের মানুষদের ফেরত নিচ্ছে না।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ভাসানচর নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কিন্তু সাগর থেকে ৩০৬ জন রোহিঙ্গাকে আমরা উদ্ধার করে ভাসানচরে রেখেছি। সেখানে তারা ভালো আছেন। অন্য রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করা হবে। এর আগে সেখানকার পরিবেশ পরিস্থিতি দেখানোর জন্য জাতিসংঘ প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের পরিদর্শনে নিয়ে যাওয়া হবে।