৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা এলাকায় মা ও তার ৯ বছর বয়সী শিশুকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুষ্কৃতকারীরা। পুরাতন চান্দগাঁও রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়িতে আজ ২৪ আগস্ট আনুমানিক রাত ৮টার দিকে এমন ঘটনা ঘটে বলে ধারণা পুলিশের।

নিহত দুইজন হলেন- মা গুলনাহার বেগম (৩৩) ও তার ছেলে রিফাত (৯)। দুজনকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করার আলামত পাওয়া গেলেও কারা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ। তবে খুনের শিকার গুলনাহারের কিশোরী কন্যা ময়ূরী এই হত্যাকাণ্ডের জন্য জনৈক ফারুককে দায়ী করছেন।

ময়ূরী চট্টগ্রাম জানান, বহদ্দারহাটের সিরাজের ছেলে ফারুকের সাথে তাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ফারুকের সাথে গুলনাহার বেগমের পাতানো ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল। পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ফারুক অবসর সময়ে গুলনাহারের বানানো নাস্তা বিক্রি করতো। লকডাউনের সময়েই একইভাবে বিরিয়ানি বিক্রি করছিল ফারুক। ফারুক বিভিন্ন সময়ে টাকার লেনদেন নিয়ে গুলনাহারকে হত্যার হুমকি দিতো।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুলনাহারের স্বামী তাদের সাথে থাকতেন না। তিনি গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, ‘পুরাতন চান্দগাঁও রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়ি এলাকায় মা ও ছেলে খুন হয়েছে’।

তিন বলেন, ‘নিহতদের গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে’।

স্থানীয়রা জানান, একটি ভাড়া বাসায় এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন গুলনাহার বেগম। প্রতিদিনের মতো গোল নাহারের মেয়ে সকালে গার্মেন্টসে চলে যান। বাসায় ছিলো মা ও ছোট ভাই।

চাকরি শেষে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে দেখেন দরজা খোলা। মেঝেতে মা ও ভাইয়ের রক্তাক্ত লাশ পড়ে রয়েছে। এসময় তার চিৎকারে আশাপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। খবর পেয়ে  ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে।

আর পড়ুন:   বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন