৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
                        রোটারিয়ান মাহজুল হকসহ কর্ণফুলী জোনের বিভিন্ন ক্লাবের রোটারিয়ানবৃন্দ

রোটারি ইন্টান্যাশনাল এর চট্টগ্রাম কর্ণফুলী জোনের ১৬টি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয়দিনে ‘সবার জন্যে ঈদে আহার’ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম শহরের ৯টি স্থানে একহাজার ৮শ প্যাকেট রান্নাকরা খাবার হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়। ঈদের দ্বিতীয় দিন (২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর দেওয়ানহাট ব্রিজের নিচে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ২শ’ গরীব মানুষের মাঝে রান্নাকরা খাবার বণ্টন করা হয় । এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং খুলশীর প্রাক্তন সভাপতি রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার মতিউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন ফ্যালকন টিম ২০১৯-২০ এর লেফটেন্যান্ট গভর্নর পিপি মাহফুজুল হক, অ্যাডিশনাল লেফটেন্যান্ট গভর্নর মো. আশরার , ডেপুটি গভর্নর ও কোভিড ১৯ প্রোজেক্টের চেয়ারম্যান সিপি মো. নজরুল ইসলাম নান্টু ,কর্ণফুলী জোনের সেক্রেটারি পিপি সানিউল ইসলাম ,২০২০-২১ রোটাবর্ষের অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্নর পিপি আসাদুল হক, অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্নর পিপি সুদীপ কুমার চন্দ। ইম্পেরিয়াল ক্লাবের বর্তমান প্রেসিডেন্ট এডভোকেট এরশাদুর রহমান রিটু, ক্লাব সেক্রেটারি মোহাম্মদ ওমর ফারুক, জয়েন্ট সেক্রেটারি মো. নুর উদ্দিন, আইপিপি মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান খান, সার্ভিস প্রোজেক্ট ডাইরেক্টর কাজী কামরুল ইসলাম চুন্নু ও রোটারি ক্লাব অব এনসিয়েন্ট চিটাগাং রোটারিয়ান নুরুল ইসলাম মঞ্জু এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রজেক্ট বাস্তবায়নে রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং ইম্পেরিয়াল,রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং খুলশী, রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং আপ টাউন,রোটারি ক্লাব অব বন্দরনগর, রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং প্রাইম, রোটারি ক্লাব অব আধুনিক চট্টগ্রাম, রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং মিডটাউন, রোটারি ক্লাব অব মেট্রপলিটন চিটাগং। পিপি মতিউর রহমান বলেন, মানুষ মানুষের জন্য মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গতকালও পাঁচটা এলাকায় প্রায়এক হাজার মানুষের মধ্যে রান্নাকরা খাবার বিতরণ করা হয়। চিটাগং ইম্পেরিয়াল এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সিপি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম নান্টু উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেনএবং সমাজের বিত্তবানদের মানবিক কার্যক্রমে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এদিকে আজ নগরীর তিনটে স্থানে খাদ্য বিতরণ করা হয়। বড়পোল এলাকায় ২০০ প্যাকেট, জামালখান এলাকায় ২০০ প্যাকেট, আন্দরকিল্লা এলাকায় ২০০ প্যাকেট, রান্নাকরা খাবার অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।