৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

গ্রেপ্তার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম জিজ্ঞাসাবাদে ৯ দিন কোথায় ছিলেন তার নাটকীয় বর্ণনা দিয়েছেন।

সাহেদ জানান, ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি প্রভাবশালী অনেকের কাছে দেনদরবার করেন। তবে পরিস্থিতি তার প্রতিকূলে চলে গেছে এটা বুঝতে পেরে গা-ঢাকা দেন। প্রথমেই আখাউড়া সীমান্ত হয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। আখাউড়া করে ট্রাকে করে আবার ঢাকায় ফেরেন।

সাহেদ আরো জানান, এক দিন কুমিল্লা থেকে নরসিংদীতে যাওয়ার পথে নাটকীয় ঘটনার জন্ম দেন। নিজের গাড়িতে যাওয়ার সময় হঠাৎ দেখেন সামনেই র‌্যাবের চেকপোস্ট। এরপর চালককে দ্রুত গাড়ি ঘোরানোর নির্দেশ দেন। মূল সড়কে না গিয়ে গ্রামমুখী একটি পথে চলে গিয়ে সেই যাত্রায় ধরা পড়ার হাত থেকে রক্ষা পান।

তদন্ত সূত্র আরও জানায়, এক দিন পর একটি দামি গাড়ি নিয়ে কক্সবাজারের মহেশখালী যান তিনি। সেখানে তার এক বন্ধুর বাসায় পালিয়ে ছিলেন। পরে ওই গাড়ি রেখেই তিনি মহেশখালী ত্যাগ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, সাহেদের ওই গাড়িটি মহেশখালীর কোনো জায়গায় পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। সাহেদ এটাও জানান, বাইরের লোকজনের কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করতে সবসময় মাস্ক পরিহিত অবস্থায় থাকতেন। শেষমেশ সাতক্ষীরা সীমান্ত হয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন।

গত বুধবার সাহেদকে গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।