৪ঠা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৫ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে । এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার ১৫১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও তিন হাজার ২৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জনে।

করোনাভাইরাস বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি নতুন যুক্ত একটিসহ মোট ৭৪টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ হাজার ৪৯১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ১৭৩টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো আট লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ২৭ জনের মধ্যে। ফলে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৫৫ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ১৫১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৯৫৩ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৭৮ হাজার ১০২ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৫৫জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৬ জন এবং নারী নয়জন। এদের মধ্যে ১০ বছরের বেশি বয়সী একজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুজন, চল্লিশোর্ধ্ব ছয়জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৮ জন, ষাটোর্ধ্ব ২১ জন, সত্তরোর্ধ্ব ছয়জন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী একজন রয়েছেন। তাদের ২৭ জন ঢাকা বিভাগের, ১২ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুজন রাজশাহী বিভাগের, সাতজন খুলনা বিভাগের, দুজন রংপুর বিভাগের, দুজন সিলেট বিভাগের, দুজন বরিশাল বিভাগের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। ৩৯ জন মারা গেছেন হাসপাতালে, ১১ জন বাসায় এবং একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।

আর পড়ুন:   বাংলাদেশি হাজিরা দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে

বুলেটিনে ডা. নাসিমা করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের আহ্বান জানান।

করোনাভাইরাসের ছোবলে গোটা বিশ্ব এখন মৃত্যুপুরী। গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানোর পর বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন এক কোটি ১৭ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৪১ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে সাড়ে ৬৭ লাখের মতো রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। প্রথম ১৮ মার্চ মৃত্যু হয় ।