৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কোভিড-ননকোভিড চিকিৎসার সেবা বাড়ানোর দাবিতে চট্টগ্রামে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

গণঅধিকার চর্চা কেন্দ্র চট্টগ্রামের উদ্যোগে আজ রবিবার (২৮জুন) সকাল ১১টা থেকে ১ টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টার এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট শাখাসহ কয়েকটি সংগঠনের অংশগ্রহণ করে।

অনশন কর্মসূচিতে প্রধান বক্তা গণঅধিকার চর্চা কমিটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, এই কমিটি প্রয়োজনে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করবে। আমরা চাই মানুষ তার স্বাস্থ্যসেবা থেকে যেন বঞ্চিত না হয়। আমাদের এসব দাবিসমূহের বিষয়ে আগামী ৭ দিনের মধ্যে কোনো সাড়া না পেলে পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। নগরীর বিভিন্ন স্পট থেকে এসব দাবির বাস্তবায়নে পদযাত্রা করব।

মুক্তিযোদ্ধা আজম সাদেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে গণঅধিকার চর্চা কেন্দ্র চট্টগ্রামের মহাসচিব মশিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগরের কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমদ, অধ্যাপক উত্তম কুমার আচার্য ও সরওয়ার আলম মনি।

কর্মসূচিতে বক্তারা আরো জানান, চট্টগ্রাম নগর ও উপজেলায় কোভিড-ননকোভিড রোগীদের আশানুরূপ সেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠতে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দকৃত ১০ হাজার কোটি টাকা থেকে ও অন্যান্য খাত থেকে দ্রুত ২ হাজার কোটি টাকা চট্টগ্রামের জন্য বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।

অনশন কর্মসূচিতে চট্টগ্রামের সব সরকারি ও আধা সরকারি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করা। করোনা রোগীদের জন্য ২ হাজার শয্যায় উন্নীত করা এবং প্রতি ৫ শয্যার বিপরীতে ভেন্টিলেটরসহ একটি করে আইসিইউ বেড প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়।

হাসপাতালগুলোর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে ১০ হাজার শয্যার আইসোলেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে সেখানে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও লোকবল এবং ১ টি বা ২টি করে অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া, প্রতিটি আইসোলেশন সেন্টারে ২টি থেকে ৪টি করে জনবলসহ পিসিআর মেশিন সরবরাহ এবং চট্টগ্রাম সিএমএইচ-এ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার দাবি করা হয়। এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি করে ওই কমিটিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে অর্থ বরাদ্দের টাকা দিয়ে স্বাস্থ্যখাতে সকল কেনাকাটার দাবি জানানো হয়।