১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

লঘুচাপ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে বঙ্গোপসাগরে। সারাদেশের আকাশ যেন মেঘে ছেয়ে গেছে। গেল রাত ও সকালে দেশের বিভিন্নস্থানে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি থামার পর তাপমাত্রা কমে গিয়ে প্রকৃতিতে শীতের আমেজ শুরু হয়েছে  ।

এখন গ্রামের পথে পথে শিশির ভেজা ঘাসে, আমনক্ষেতে  সকালের নরম রোদ, কুয়াশার জাল ঘেরা সকাল-সন্ধ্যার রহস্য। আর্দ্রতা হারাচ্ছে বাতাস, খসখসে হচ্ছে ত্বক। শুরু হয়েছে পাতা ঝরার দিন।

এখনও গ্রামের মতো শহরে রাতে পুরো দস্তুর গায়ে কাঁথা জড়াতে হয় না বটে তবে শেষ রাতের শীতে কাঁথার উষ্ণতা খোঁজে সবাই। শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে অনেক আগেই।

ক্যালেন্ডারের হিসাবে এখন হেমন্ত। কার্তিকের ১৪ তারিখ। শীতের ঋতু পৌষ ধরা দিতে ঢের দেরি। আবহাওয়াবিদদের হিসাবে এখন তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। রবিবার দেশের এ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায়।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, ‘উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণি বাতাসের সৃষ্টি হয়েছে, এটি সমুদ্রে মেঘ সৃষ্টি করেছে। বাতাসের কারণে এই মেঘগুলো স্থলভাগে চলে এসেছে। এই মেঘের কারণেই দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। এই ঘূর্ণিবাতাস আরও অর্গানাইজ হয়ে লঘুচাপে পরিণত হবে বলে মনে করছি।’

তিনি বলেন, ‘সারাদেশের আকাশই মেঘাচ্ছন্ন। মেঘের কারণে মধ্যাঞ্চল ছাড়াও চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। আগামী তিনদিন দিনের তাপমাত্রা আরও কমতে থাকবে জানিয়ে আরিফ হোসেন বলেন, ‘রাতের তাপমাত্রা খুব একটা কমবে না। তিনদিন পর দিনের তাপমাত্রা একটু বাড়বে, তবে রাতের তাপমাত্রা কমতে থাকবে।