১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের হওয়া মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য  ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালত রোববার (২১অক্টোবর) দুপুরে এ আদেশ দেন। মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি  নিশ্চিত করে বলেন, মহানগর দায়রা জজ আদালত শুনানি শেষে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মফিজুল হক ভূঁইয়া  বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে নগরের কোতোয়ালী থানায় দায়ের মামলায় আমীর খসরু পুনরায় জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন মঞ্জুর না করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

তিনি আরও জানান, এর আগে গত ৭ অক্টোবর ছয় সপ্তাহের জামিন শেষ হয়। সে সময় আদালতে হাজির হয়ে তিনি সেদিন জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আজ ২১ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। এ ছাড়া নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথিও পূর্ণাঙ্গ জামিন শুনানিতে উপস্থাপনের জন্য আদালত নির্দেশনা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজকে আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের জন্য আবেদন করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও জানান আইনজীবী মফিজুল হক ভূঁইয়া ।

এর আগে গত ৪ আগস্ট রাতে আমীর খসরুর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে নগরের কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিলেন। নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত গত ৪ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ক্লিপে কুমিল্লা থেকে নওমী নামের একজনের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে মানুষজনকে নামানোর জন্য কথা বলতে শোনা যায় তাকে।

আর পড়ুন:   সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এল. কে. সিদ্দিকীর আজ চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী