১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ব্যাপকহারে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে ডায়াবেটিকে। এক গবেষণায় ওঠে আসে- প্রতি বছর এ দেশে ৩ হাজার শিশু ডায়াবেটিকে আক্রান্ত হচ্ছে। ডায়াবেটিকজনিত সমস্যার কারণে অন্ধ হয়ে যাবার ঝুঁকিতে আছে অধিকাংশ শিশুই ।

বুধবার (২৯আগস্ট)রাজধানীর মহাখালীস্থ ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি ‘প্রকল্পের’ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ‘ডায়াবেটিক শিশুদের চক্ষুসেবার সমন্বিত পদক্ষেপের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক এ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডায়াবেটিক শিশুদের অন্ধত্বের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে জরুরি সমন্বিত চিকিৎসার পদক্ষেপ নেয়া ।

বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিক শিশুদের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উল্লেখ করে প্রকল্প মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ডায়াবেটিক আক্রান্ত শিশুরা সঠিক চিকিৎসার অভাবে চোখের বিভিন্ন রোগে ভুগছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিশুরা  অন্ধও হয়ে যাচ্ছে চিরতরে।

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইউএসএআইডি’র শিশু অন্ধত্ব প্রতিরোধ কর্মসূচির সহযোগিতায় অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি যৌথভাবে এ প্রকল্পটি গ্রহণ করে।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেড়বছরে রাজধানীর বারডেম ও বগুড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালে ৭ হাজারেরও বেশি চক্ষুরোগীকে সমন্বিত সেবা দেয়া হয়। এরমধ্যে ৩ হাজারের অধিক ডায়াবেটিক আক্রান্ত শিশু।

এ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথি ছিলেন, এশিয়া-প্যাসিফিক অপথামোলজি একাডেমির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. আভা হোসেন।

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সেক্রেটারি জেনারেল ডা. সাইফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের রিসার্চ ডিরেক্টর ড. নাথান জি কংডন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. জাফর খালেদ, ইউএসএআইডি’র ঢাকা অফিসের হেলথ সার্ভিস ডেলিভারি পিলার লিড এডনা জোনাস এবং অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনীর আহমেদ।

আর পড়ুন:   প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বদলে যাচ্ছে পরীক্ষা পদ্ধতি