১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শান্তির স্বার্থে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ও ক্যাম্পাসে ফেরাতে অভিভাবকসহ সবার সহযোগিতা চাই। তবে যারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢুকে রাজনীতির বিষবাষ্প দিতে চেয়েছেন, এর মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়, এদের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকতে হবে।

শনিবার ( ৪ আগস্ট)আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের  এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা হয়। তিনি বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশকারীরা আন্দোলনে ঢুকেছে। তবে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রাখছে গোয়েন্দা বাহিনী।

এক প্রশ্নের উত্তরে কাদের বলেন, শঙ্কায় চালকরা গাড়ি নিয়ে সড়কে নামতে চাচ্ছে না, আমরা নামাতে চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের দাবি নামার যৌক্তিকতা খুঁজে পেয়েছি। এগুলো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন। তাদের প্রতিবাদের কণ্ঠকে স্বাগত জানিয়েছি। এখানে কোনো গোপনীয়তা নেই। কেউ দলীয়ভাবে এ আন্দোলন সমর্থন দিয়েছেন, এটা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে চেয়েছে। আমাদের উদ্বেগ হলো, তাদের শান্তিপূর্ণ, ইনোসেন্ট আন্দোলনে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এগুলো খারাপ লক্ষণ।

এক প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির মতো নালিশ পার্টির টপ টু বটম নেতারা পদত্যাগ করলে দেশের মানুষ স্বস্তি পাবে।