১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

জাতীয় দিবসসহ সীতাকুণ্ড  উপজেলা প্রশাসন  আয়োজিত  যেকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বেশিরভাগ পুরস্কার  যে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের দখলে থাকে সেই সীতাকুণ্ড  থানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে ছুটে আসেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মো.শাহাদাত হোসেন।

শিক্ষার্থীর মানসিক ও সৃজনশীলতার বিকাশে সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে  সীতাকুণ্ড থানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো মনোঙ্গ এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.শাহাদাত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর ) বিদ্যালয় মাঠে  জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ এ বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সহপাঠক্রমিক কার্যক্রম নিয়ে প্রথমপর্বে অনুষ্ঠিত হলো সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো.শাহাদাত হোসেন।

বিভিন্ন সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উপসচিব এবং  জেলাপ্রশাসক পরিদর্শনে এসে যে বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে মুগ্ধ হয়েছেন সেই সীতাকুণ্ড   থানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ইউএনও মো.শাহাদাত হোসেন  নিজের প্রিয় স্কুল উল্লেখ করে  বলেন, ‘যে শিশুশিক্ষার্থীরা একদিন দেশ ও জাতির নেতৃত্ব দেবে তাদের এখন থেকে  উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করে মেধা-মননে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।এ ক্ষেত্রে শিক্ষক সমাজের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।শিক্ষকরা সমাজের দর্পণ ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব যাদের কর্মকাণ্ডকে আমরা যুগযুগ ধরে স্মরণ করি।

বিদ্যালয় আঙ্গিণায় গাছের চারা রোপণ করছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.শাহাদাত হোসেন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার- সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণ

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ নুরুচ্ছোফা ,  সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুনা বড়ুয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানা ইয়াসমিন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. রফিকুল আলম এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  সীতাকুণ্ড  প্রেসক্লাবের সভাপতি সৌমিত্র চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার হারুন আল রশীদ ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার তাজমিরী খাতুন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক পবিত্র কুমার চক্রবর্তী ও জোবেদা ইয়াছমিন। এর পর ই্উএনও

দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।পরে বিদ্যালয় আঙ্গিণায় গাছের চারাও রোপণ করেন।

আলোচনাশেষে দ্বিতীয় পর্বে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।শিক্ষার্থীরা আনন্দঘন পরিবেশে স্বতস্ফূর্তভাবে   নাচ,গান একক ও দ্বৈত কবিতা আবৃত্তি, কৌতুক, নাটিকা দেশাত্ববোধক জারিগান পরিবেশন করে পুরো অনুষ্ঠানকে মাতিয়ে তোলে।প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদ্বয় দর্শককাতারে এসে মনভরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের পারফরমেন্সে মুগ্ধ হয়ে ইউএনও নিজেই ভিডিও ধারণ করেন।