[bangla_date] || [english_date]

যথাযথ মর্যাদায় সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি পালন করলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস।  অমর ২১ শে উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিলো জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, দোয়া ও বিশেষ আলোচনা সভা।

 আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য অধ্যাপক প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক

বিশ্বিবিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস বায়েজিদ, আরেফিন নগরে হল রুমে বেলা ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক এর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল মনসুর চৌধুরী এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শরীফুজ্জামান। ডেপুটি রেজিস্ট্রার আ.ফ.ম মোদাচ্ছের আলীর সঞ্চালনায় আলোচনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন বিভাগের উপদেষ্টা, বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষকসহ কর্মকতার্রা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশভাগের পর থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত স্বাধিকার রক্ষায় যত আন্দোলন হয়েছে তার মূলভিত্তি ছিল ভাষা আন্দোলন।  স্বাধীনতার সূচনায় হয়েছিলো মহান ৫২’র ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। একুশ একটি চেতনা ও অনুপ্রেরণার নাম যা আমাদেরকে অধিকার আদায়ের পথ দেখিয়ে ছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল ঘটনা নিজ মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়া। শুধুমাত্র বিশেষ দিবসে নয় সব সময় বাংলাকে ধারণ করতে হবে আমাদের চিন্তা, চেতনা ও মননে।

তাঁরা আরও বলেন, আজ শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সেইসব বীরদের যােঁদর আত্মত্যাগেই আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছি। ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রম্নগড়া ফেব্রুয়ারিকে শুধুমাত্র একদিনের ফ্রেমে সীমাবদ্ধ না রেখে একুশের চেতনাকে ধারণ করে আমাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শহীদ পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। সত্যিকার অর্থে সর্বক্ষেত্রে বাংলা ভাষার প্রচলন ও বাংলাকে ভালোবাসতে পারলে তবেই বীর শহীদদের আত্মত্যাগের মযার্দা অক্ষুন্ন থাকবে।

পরে বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ, জাতি, প্রতিষ্ঠানের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন আল আযহারী।