২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

বছরে ৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শেখ হাসিনা মাদার অব হিউম্যানিটি-সমাজকল্যাণ পদক দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সোমবার (১৯নভেম্বর)মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নীতিমালাটির খসড়া প্রস্তুত করে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সুবিধাবঞ্চিত অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমন্বিত  সম-উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায় বিচার পুনঃএকত্রীকরণ এবং আর্থসামজিক উন্নয়নে সমাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা এ চারটি ক্ষেত্রে ৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পদক দেয়া হবে।

তবে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোনও বছর প্রার্থী না পাওয়া গেলে পদক সংখ্যা কমানো বা পুরস্কারের নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত হলে পদক সংখ্যা বাড়ানো বা কমানো হতে পারে।

এখানে মাদার অব হিউম্যানিটি বলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বোঝানো হচ্ছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় জন্য ব্রিটেনের একটি সংবাদ মাধ্যম প্রধানমন্ত্রীকে এই উপাধি দেয়।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পদক পাওয়া প্রত্যেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেটের ২৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক ও দুই লাখ টাকার চেক দেয়া হবে।

প্রতিবছর ২ জানুয়ারি এ পদক দেওয়া হবে। নির্ধারিত বাছাই কমিটির মাধ্যমে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করা হবে।

পদক কোন শ্রেণির হবে, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা স্বাধীনতা ও ২১ পদকের সমমানের হবে।