২৫শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

নেট মিটারিং বর্তমান সরকারের একটি অকল্পনীয় সাফল্য। কারণ নেট মিটারিং এর মাধ্যমে গ্রাহক তার সোলার থেকে উৎপন্ন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ সংস্থাকে বিক্রি করতে পারবে। চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ তাদের ভৌগলিক এলাকা মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুরে অবস্থিত চিটাগাং ফিড মিল লিঃ (প্যারাগন গ্রপ) এ ১ম নেট মিটারিং চালু করেছে।

সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার শাহ জুলফিকার হায়দার (পিইঞ্জ) অত্যন্ত দক্ষতার সাথে “নেট মিটারিং” কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত নেট মিটারিং কার্যক্রমে আরো উপস্থিত ছিলেন জিএম (সদস্য সেবা) প্রকৌশলী মো. আকরাম হোসেন ডিজিএম কারিগরী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন, এজিএম (সদস্য সেবা), এজিএম (ইঞ্জিনিয়ার), জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ও লাইনম্যান।

সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার শাহ জুলফিকার হায়দার(পিইঞ্জ) জানান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি পদ্ধতি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে। এ পদ্ধতি বাস্তবায়নে ঘরে ঘরে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হচ্ছে। আর সোলার প্যানেলের সঙ্গে স্থাপন করা হবে ‘নেট মিটারিং সিস্টেম’। এই সিস্টেম থাকলে গ্রাহকের বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিক্রি করা সম্ভব হবে।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একজন গ্রাহকের যদি মাসে ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় আর তিনি সোলার প্যানেল থেকে যদি ২০ ইউনিট বিদ্যুৎও উৎপাদন করতে পারেন, তাহলে তাঁকে সোলারে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাদ দিয়ে মোট ৮০ ইউনিটের দাম দিতে হবে। এতে ২০ ইউনিটের মূল্য সাশ্রয় হলো। আর কেউ যদি বড় আকারের সোলার প্যানেল ব্যবহার করেন সে ক্ষেত্রে তাঁর উৎপাদন ব্যবহারের চেয়েও বেশি হতে পারে। তাহলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ তাঁর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (পল্লী বিদ্যুৎ কিংবা ওয়াবদা) কিনে নেবে। ফলে তিনি লাভবান হবেন।