২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম জেলার ১৬ আসনের ঘোষিত  ফলাফলে গতবারের মতো  আওয়ামী লীগ ও মহাজোট প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

রোববার (৩০ডিসেম্বর) দিনভর ভোটগ্রহণের পর রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এ ফল ঘোষণা করেন।

মীরসরাইয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ জয়ী 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে জয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

এ আসনের ১০৪টি কেন্দ্রের ৩ লাখ ১৫ হাজার ৬ ভোটের মধ্যে তিনি পেয়েছেন  ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৯১ ভোট।

সীতাকুণ্ডে দিদারুল আলম   

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম-৪) আসনে আওয়ামী লীগের দিদারুল আলম জয়ী হয়েছেন। ১০৮টি ভোট কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮৯ ভোট।

 

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ২৯ হাজার ৪০৭ ভোট।

হাটহাজারীতে ব্যারিস্টার আনিস

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে মহাজোট প্রার্থী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

১৪০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০৬ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী লাঙল প্রতীক নিয়ে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পেয়েছেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম ৩৪ হাজার ১৮ ভোট পেয়েছেন।

রাউজানে জয়ী হলেন ফজলে করিম চৌধুরী

(চট্টগ্রাম-৬ রাউজান) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী।

কেন্দ্রওয়ারি ফলাফলের মধ্যে ৮৪টি কেন্দ্রের মধ্যে নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জসিম সিকদার পেযেছেন ২ হাজার ৩০৭ ভোট।  রাউজানে মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৭৬০ জন।

সন্দ্বীপে মাহফুজুর রহমান মিতা

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের  মাহফুজুর রহমান মিতা।

এ আসনের ৭৯ কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন  ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৫৩ ভোট। মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ২ হাজার ৬৩৫ জন।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা পেয়েছেন ৩ হাজার ১২২ ভোট।

রাঙ্গুনিয়ায় ড. হাছান মাহমুদ 

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. হাছান মাহমুদ।

 

মোট ৯৬টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ১৫৫ জন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির মো. নুরুল আলম পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৫ ভোট।

এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৩২ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৫ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

পটিয়ায় নৌকার শামসুল হক চৌধুরী 

চট্টগ্রাম-১২(পটিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামসুল হক চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

মোট ১১১ কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এনামুল হক পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৫৯৮ ভোট। এমএ মতিন পেয়েছেন ৭ হাজার ২২৬ ভোট।

আনোয়ারায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ জয়ী হয়েছেন।

১০৬ কেন্দ্রের ৩ লাখ ১০ হাজার ৪৬৬ ভোটের মধ্যে  তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪১৫ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী  এমএ মতিন মোমবাতি প্রতীকে ৩ হাজার ৭৯৪ ভোট এবং ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী  সরওয়ার জামাল নিজাম পেয়েছেন ৩ হাজার ১৫৩ ভোট।

বোয়ালখালীতে মইনউদ্দীন খান বাদল

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে মহাজোটের প্রার্থী মইনউদ্দীন খান বাদল বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৭২ হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষের আবু সুফিয়ান ৫৯ হাজার ১৩৫ ভোট পেয়েছেন।

এ আসনে ১৭০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৯৬ জন।

চট্টগ্রাম১০ আসনে আফছারুল আমীন

চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর-খুলশী-কাতালগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. আফছারুল আমীন বিজয়ী হয়েছেন।

১১৬ কেন্দ্রে  নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল্লাহ আল নোমান পেয়েছেন ৪১ হাজার ৩৯০ ভোট।

এ আসনে ১১৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১টি কেন্দ্রের ফল বাতিল করা হয়।

বন্দরপতেঙ্গায় এমএ লতিফ জয়ী

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমএ লতিফ জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৮৩ হাজার ১৬৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৯৮।

এ আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রে ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৭ হাজার ৪০৯ ভোট।

নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী ফটিকছড়ি আসনে বিজয়ী

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিজয়ী হয়েছেন মহাজোটের শরিক ত্বরিকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন দুই লাখ ৩৮ হাজার ৪৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র আজিমুল্লাহ বাহার পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৭৫৩ ভোট। এখানে তৃতীয় হয়েছেন ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকে সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভাণ্ডারী পেয়েছেন ১০ হাজার ১৭৪ ভোট। এখানে মোট ভোটার ছিলেন তিন লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৫ জন।

আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী। তিনি পেয়েছেন দুই ৫৯ হাজার ৩৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রতীকের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আ ন ম শামসুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৯৮৬ ভোট। এখানে মোট ভোটার ছিলেন তিন লাখ ৮৮ হাজার ১৩৭ জন।

ব্যারিস্টার নওফেল জয়ী

কোতোয়ালী (চট্টগ্রাম-৯) আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

১৪৪টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৩ হাজার ৬১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ১৭ হাজার ৬৪২ ভোট।

চট্টগ্রাম-৯ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ হয়েছে। মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৯০ হাজার ১৩১ জন।

চন্দনাইশে বিজয়ী নজরুল ইসলাম

(চট্টগ্রাম-১৪(চন্দনাইশ) আসনে দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম।

মোট ১০৪টি ভোটকেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৮৬ ভোট।

 

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম পেয়েছেন ২২ হাজার ২২৫ ভোট।

এ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৩ জন।

বাঁশখালীতে জয়ী মোস্তাফিজুর রহমান

(চট্টগ্রাম-১৬(বাঁশখালী) আসনে দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান।

মোট ১১০টি ভোটকেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৪১ ভোট।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩৭০ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ৩ হাজার ১২৩ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৪৩ হাজার ২৬৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।