১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

মোহাম্মদ ইউসুফ *

দ্বিতীয়বারের মতো আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২২ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচন।  তফসিল ঘোষণার পরপরই চেয়ারম্যান-মেম্বারপ্রার্থীরা সক্রিয় হয়ে ওঠেছেন। নানানভাবে ভোটারদের সাথে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছেন। বিশেষকরে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্তির জন্যে জোর লবিং ও তৎপরতা চালাচ্ছেন চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা সকলেই ঢাকায় অবস্থান করছেন। দলীয় টিকেট যাঁর ভাগ্যে জোটে, তিনিই চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসবেন-এটাই অনেকটা নিশ্চিত। জনগণ নয়, মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জনপ্রতিনিধিদের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। জনপ্রতিনিধিদের(ভোটারদের) সিংহভাগ আওয়ামী লীগ অনুসারী বলেই ভিন্নদলের কারো চেয়ারম্যানপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই, গতবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম (এম এ সালাম) । এবারও কী এম এ সালাম দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন- না কি অন্যকেউ- এমন আলাপ-আলোচনা ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। বিভিন্ন মাধ্যমে দলীয় হাইকমান্ডের আনুকূল্য পাওয়ার প্রয়াস চালাচ্ছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যানপ্রার্থীরা। সাধারণ ও সংরক্ষিত মেম্বার পদ যেহেতু সকলের জন্যে উন্মুক্ত সেখানে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই। মেম্বারপ্রার্থীরাও সকলেই স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা। অবশ্য গতবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যানপ্রার্থী এম এ সালাম ও ১নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারপ্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আতাউর রহমান, ৭নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারপ্রার্থী কাজী আবদুল ওহাব, ৮নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারপ্রার্থী কামরুল ইসলাম চৌধুরী, ১২নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারপ্রার্থী এস এম আলমগীর চৌধুরী, সংরক্ষিত ১নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারপ্রার্থী রেহানা আক্তার ও ৩নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারপ্রার্থী দেলোয়ারা ইউসুফ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

প্রায় একযুগ ধরে অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে  চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম। ২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি প্রথম  প্রশাসকের দায়িত্ব পান। ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পাঁচবছরের মেয়াদ শেষে ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল দেশের ৬১ জেলা পরিষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে সরকার। এর ১০ দিন পর ২৭ এপ্রিল সরকার জেলা পরিষদে সদ্য সাবেক নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। এরই আলোকে এম এ সালামকে সরকার পুনরায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ দেয়।

দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্তির দৌড়প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন বেশ কজন আওয়ামী লীগনেতা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য মতে, আওয়ামী লীগ থেকে যারা মনোনয়নের তদবিরে আছেন তাঁরা হলেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি,সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও  বর্তমান প্রশাসক এম এ সালাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক , সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, সাপ্তাহিক চট্টলা’র প্রধান-সম্পাদক সাংবাদিক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, ফটিকছড়ির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম পেয়ারু, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়মেলা পরিষদের মহাসচিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুচ। এর বাইরে মনোনয়নপ্রত্যাশী আরও নেতা দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারেন।

চারস্তরের (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জেলা পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। চেয়ারম্যান ও অন্যান্য প্রতিনিধিরা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভোটে নির্বাচিত হবেন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৯১টি ইউনিয়ন, ১৪ উপজেলা ও সমসংখ্যক পৌরসভা ও একটি সিটি কর্পেোরেশনের জনপ্রতিনিধি মিলে ২৭৩১জন ভোটার রয়েছেন। পুরুষ ২০৯৪ জন ও মহিলা ভোটার ৬৩৭ জন। ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য, পৌরমেয়র, কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরা এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। একজন চেয়ারম্যান, ১৫জন সাধারণ সদস্যসহ ২১ সদস্যের একটি নির্বাচিত প্যানেলের মাধ্যমে জেলা পরিষদ গঠিত হবে।

উল্লেখ্য, তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১টি জেলা পরিষদের নির্বাচন হবে।

ষষ্ঠতম কমিশন সভা শেষে গত ২৩ আগস্ট ২০২২নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ নির্বাচনের এ তফসিল ঘোষণা দেন।  তফসিল অনুযায়ী-মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১৮ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর। আর ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর।  ২০০০ সালে তৎকালীন সরকার নতুন করে জেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করে। এরপর জোট সরকারের আমলে এনিয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনা করে। এরপর প্রথমবারের মতো স্থানীয় এই সরকারে নির্বাচন হয় ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর। সেসময় ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) নির্বাচন হয়েছিল। এর মধ্যে ১৯টি জেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

জেলা পরিষদের মেয়াদ আরও আগেই শেষ হলেও আইন সংশোধনসহ অন্যান্য জটিলতার কারণে ভোট নিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় এই সরকারের আইনটি সংশোধনের পর ১৭ এপ্রিল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ তানভীর আজম ছিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রশাসক বসানোর কথা বলা হয়।

এতে বলা হয়, দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ায় নির্বাচিত পরিষদগুলো বিলুপ্ত করা হলো।

জেলা পরিষদ নির্বাচন আইনানুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলার অধীনে যতগুলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোর সদস্যরাই জেলা পরিষদ সদস্যদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতেন। অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র এবং কাউন্সিলরেরা বা সদস্যরা ভোট দিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও পাঁচজন সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত করতেন। কিন্তু সংশোধিত আইনে জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার উপজেলার সংখ্যার সমান। আর নারী সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার উপজেলা চেয়ারম্যানদের মোট সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ। অর্থাৎ একেক জেলা পরিষদের সদস্যের সংখ্যা হবে একেক রকম, সংশোধনের আগে যেটা ২১ জন নির্দিষ্ট করে দেয়া ছিল।

তবে, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদে ২১জনের প্যানেলই থাকছে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক এম এ সালাম চাটগাঁর বাণীকে বলেন, “বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে চট্টগ্রাম জেলা  পরিষদ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। চেয়ারম্যান ও প্রশাসকের দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছি। এবারও যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়া হয়, নির্বাচনে অংশ নেবো। দলের অন্যকেউ যদি মনোনয়ন পান, তার পক্ষে কাজ করবো।”

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মোহাম্মদ আতাউর রহমান চাটগাঁর বাণীকে বলেন, “ অতি লোভ ও ভণ্ডামির বিপরীতে নিঃস্বার্থভাবে রাজনীতিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি; শেষক্ষণ অবধি এভাবেই টেনে নিতে চাই। আসন্ন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী। দল থেকে যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়া না হয়, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবো।”

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম চাটগাঁর বাণীকে বলেন, “ আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমিও চেয়ারম্যান পদে দল থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী। দল যদি মনোনয়ন দেয় ভালো, না হয় দলীয়প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকবো।”

সম্ভাব্য চেয়ারম্যানপ্রার্থী সাংবাদিক আবু সুফিয়ান চাটগাঁর বাণীকে বলেন, “দলীয়কর্মী হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলীয় মনোয়নপত্র জমা দিয়েছি। দল থেকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবো। মনোনয়ন না পেলেও দলীয়প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবো।”

সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুচ চাটগাঁর বাণীকে বলেন, “একাত্তরের রণাঙ্গনে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ করেছি, কারা নির্যাতন ভোগ করেছি। দেশ ও জনগণের জন্যে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। জীবনসায়াহ্নে এসে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে জনগণের সেবা করতে চাই- যাতে মৃত্যুর পর জানাজায় মহিউদ্দিন চৌধুরীর মতো জনতার ঢল নামে। সেই লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। নেত্রীর সিদ্ধান্তই মেনে নেবো। মনোনয়ন যদি না-ও পাই, দলীয়প্রার্থীর  পক্ষে মাঠে থাকবো ।”

আওয়ামী লীগনেতা আবুল কালাম চৌধুরী চাটগাঁর বাণীকে বলেন, “দলের জন্যে আমার অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা রয়েছে। ত্যাগের মূল্যায়ন সকলেই চায়। তাই আমিও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষ্যে দল থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছি। দল যদি মূল্যায়ন করে আমাকে মনোনয়ন দেয় নির্বাচন করবো নতুবা যাকে মনোনয়ন দেয় তার জন্যে কাজ করবো।

গতকাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিস থেকে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সদস্য পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ২৮জন। চেয়ারম্যান পদে কেউ মনোনয়নপত্র নেননি। সাধারণ সদস্য পদে যারা মনোনয়নপত্র নিয়েছেন তারা হলেন, ১নম্বর ওয়ার্ডে প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, ২নম্বর ওয়ার্ডে আ ম ম দিলসাদ, ৩নম্বর ওয়ার্ডে মুহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান ও শোহেদ সেরোয়ার শামীম, ৪নম্বর ওয়ার্ডে মো. আমান উল্লাহ খান চৌধুরী, ৮নম্বর ওয়ার্ডে শাহাজাদা এস এম মিজানুর রহমান ও মুনছুর আহমেদ, ৯নম্বর ওয়ার্ডে মো. হাবীব উল্লাহ, ১০নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন ও দেবব্রত দাশ, ১১নম্বর ওয়ার্ডে মো. শেখ টিপু চৌধুরী ও মো. শাহেদুল ইসলাম, ১২নম্বর ওয়ার্ডে এস এম আলমগীর চৌধুরী, ১৩নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ আবদুল আজিজ চৌধুরী, ১৪নম্বর ওয়ার্ডে কামাল উদ্দিন, ১৫নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ এরফানুল করিম চৌধুরী। সংরক্ষিত সদস্য পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ২নম্বর ওয়ার্ডে দিলোয়ারা ইউসুফ, ৩নম্বর ওয়ার্ডে জগদা চৌধুরী, ৪নম্বর ওয়ার্ডে সঞ্চিতা বড়ুয়া ও রেহানা বেগম চৌধুরী, ৫নম্বর শাহিদা আক্তার জাহান ও দিলোয়ারা বেগম চৌধুরী।

লেখক- প্রধান –সম্পাদকঃ সাপ্তাহিক চাটগাঁর বাণী ও চাটগাঁরবাণীডটকম