৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ২৩শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক *

ফুটপাত পথচারিদের চলাচলের জন্যে হলেও মূলত ভাসমান দোকানিদের (হকারদের) দখলে থাকে।সড়কের পাশেই যত্রতত্র দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ছোট-বড় নানাধরনের যানবাহন। শাসকদলের “চাঁদাবাজ” নেতৃবৃন্দ ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে ‘ফুটপাত বাণিজ্য’। এ চিত্র বর্তমান ও অতীতের সব সরকারের আমলেরই। এ থেকে কোনোভাবেই আমজনতার মুক্তি মিলছে না। কবে মিলবে, তা-ও কারো জানা নেই। ফুটপাত পরিণত হয়েছে অবৈধ বাণিজ্যের হাতিয়ার আর পথচারিদের চলাচল করতে হয় মূলরাস্তায়। এটিই যেন ভাগ্যের নির্মম পরিহাস।

চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড় থেকে ওমেন কলেজ মোড় এলাকার ফুটপাতও এর ব্যতিক্রম নয়। ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ওমর গণি এমইএস কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি–বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও নানা শ্রেণিপেশার অগণিত মানুষ এ রাস্তার দু’পাশের ফুটপাত ধরে প্রতিনিয়ত আসা-যাওয়া করে।ব্যস্ততম এ এলাকার ফুটপাত ধরে এতো মানুষের চলাচল যে,বেশিরভাগ ভাসমান দোকানি ফুটপাতের গাঘেঁষে রাস্তায় বসে মালামাল বিক্রি করে। রাস্তার দু’পাশের ফুটপাত ধরে লোকজনকে খুব সতর্কতার সাথে বিপদ হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। অপরিস্কার-অপরিচ্ছন্নতার ছাপ তো আছেই। হা করে থাকা ফুটপাতের গর্তগুলো যেকোনো সময় পথচারিদের পা গিলে খেতে পারে কিংবা ভেঙ্গেচুরে বা পঙ্গু করে দিতে পারে। ভাঙ্গাচোরা ফুটপাতের স্ল্যাবগুলো মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই। এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ নিয়ে কোনো মাথাব্যথা ও দায়দায়িত্ব আছে বলে মনে হয় না। কোনো গর্ত যখন ‘মহাবিপদজ্জনক’ হয়ে ওঠে তখন কে বা কারা বড় পাথর দিয়ে ঢেকে দেয়া যায়। ফুটপাতউন্নয়নের কোনো প্রকল্প কেন গৃহীত হচ্ছে না- তা বোধগম্য নয়। নগরের প্রাণকেন্দ্রে ফুটপাতের যখন এ অবস্থা, তখন অন্যএলাকার অবস্থা কেমন তা সহজেই অনুমেয়।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট এলাকার কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলাল এর সাথে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি চাটগাঁর বাণীকে বলেন, ‘খবর নিয়ে আমি দেখে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।’