৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ২৩শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালীর কৃতিসন্তান,সদ্য প্রয়াত মরহুম আলহাজ্ব জামাল উল্যাহ্ মাস্টারের  স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল বুধবার(০৪মে)বিকালে  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গুলিয়াখালী সমাজকল্যাণ যুব সংঘ ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণের যৌথ উদ্যেগে গুলিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ স্মরণসভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

মো. নুরুল আমিন (সফি)মেম্বারের সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণ যুব সংঘের সভাপতি মো. রমজান ও মো. বেলাল হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক ও চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক এ কে এম তফজল হক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন  ব্যাংকার মো. নুরুল আমিন, ঢাকাস্থ বেঙ্গল গ্রুপের ডিজিএম মো.হারুনুর রসিদ, বিসিএসআই এর চীফ সাইন্টিফিক অফিসার ড. ফরিদউদ্দীন ফরহাদ, মো. খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ পিকেএসএফ এর পরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম, মরহুমের ভাগিনা ডা. কামাল উদ্দীন, ঢাকাস্থ তুসুকা গ্রুপের এজিএম নজরুল ইসলাম, মরহুমের ভাতিজা ইফতেখার আলম ও সুমন।

প্রধান বক্তা ছিলেন ভোরের কাগজ এর  সীতাকুণ্ড(চট্টগ্রাম) করেসপন্ডেন্ট মুহাম্মদ ইউসুফ খাঁন।বক্তব্য রাখেন মো. জাহাঙ্গীর মাস্টার, মো. নুরুল হুদা, নোয়ামিঞা কনট্রাক্টর, বিমান বাহিনীর (অব.) ওয়ারেন্ট অফিসার, মো. জামাল উল্যাহ্, ব্যাংকার মাওলানা মো. নুর সোলেমান, ডা. মনির উল্যাহ্, মো. ইসলাম, মাওলানা কাজী শাহজাহান, হাশেম সওদাগর, মো.মফিজুর রহমান, মরহুমের কন্যা সাবরিনা বিনতে জামাল  জেসিকা, নওশীন বিনতে জামাল ও পূত্র নাবিল বিন জামাল।

বক্তারা গুণীব্যক্তিত্ব  মরহুম জামাল উল্লাহ মাস্টারের বিদ্বেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, স্কুল প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিবছর ২-১জনকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পাওয়ার জন্য এবং মেধাবীমুখ সৃষ্টির লক্ষ্যে নিজ খরচে ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মনিটরিং এর মাধ্যমে বহু আলোকিত সন্তান তৈরি করেছিলেন- যারা আজ বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে সম্মান ও মর্যাদার আসনে স্ব স্ব ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন।

সমাজের প্রতিটি সেক্টরে শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে একনিষ্ঠ অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন মরহুম জামাল উল্যাহ মাস্টার। তিনি শুধু ব্যক্তিই নন নিজেই ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান এমন মন্তব্য প্রধান অতিথি অধ্যাপক এ কে এম তফজল হক এর।  স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন মরহুমের সহোদরগণ এবং ঐতিহ্যবাহী গুলিয়াখালী গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ।