২৫শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

জাতীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস ২৫ নভেম্বর । উন্নয়নের অংশীদার ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে ৫ম বারের মত দেশব্যাপী পালিত হল জাতীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস। কেন্দ্রীয়ভাবে মূল অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিকাল ৪ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- পেরেন্টস কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান ও সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যক্ষ ডা. আবদুল করিম।  উদ্বোধক অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাসান, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কাতালগঞ্জ বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ অধ্যাপক উপানন্দ মহাথের, প্রধান উপদেষ্টা মো. আবুল হাসান। জাতীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস উদযাপন পরিষদ ২০১৮ এর আহবায়ক মো. মোসলেম উদ্দীনের সভাপতিত্বে সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- প্রধান সমন্বয়ক খন রঞ্জন রায়। সভায় ডিপ্লোমা পেশাজীবী সংগঠন সমূহের প্রতিনিধি ও ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-প্রতিনিধিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ডিপ্লোমা শিক্ষার অবস্থানকে দৃঢ় ভিত্তিমূলে দাঁড় করানোর স্বীকৃতিস্বরূপ ৩ জন বিশিষ্ট ডিপ্লোমা পেশাজীবী নাগরিককে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়। তারা হলেন- খ্যাতিমান হোমিও চিকিৎসক অ্যাডভোকেট ডা. মো. ছমি উদ্দীন, চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মাকসুদা বেগম, সিএসটিআই ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুবুল আলম। এছাড়াও বিভিন্ন ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরিদ্র মেধাবী ২০ জন শিক্ষার্থীকে সারা বছরের শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়।

সভায় বক্তারা তরুণ যুবদের কর্মসংস্থান উপযোগী সঠিক ডিপ্লোমা শিক্ষা সম্প্রসারণের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। আদর্শহীন ভ্রান্তনীতির সাধারণ শিক্ষা সংকোচন, কর্মকেন্দ্রিক ডিপ্লোমা শিক্ষার প্রতি মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। দেশে প্রতি বছর যে ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করে তার বেশির ভাগই অদক্ষ। তাদের দক্ষতা অর্জনের বড় চ্যালেঞ্জই হচ্ছে ডিপ্লোমা শিক্ষা। ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রসারিত করতে পারলে গ্রামভিত্তিক ছোট মাঝারী শিল্প কারখানা গড়ে উঠতো। ডিপ্লোমা শিক্ষাকে জনপ্রিয় করার প্রত্যায়ে জাতীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস পালন দেশের সার্বিক উন্নয়নে অংশীদারি ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন।