[bangla_date] || [english_date]

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চলমান ইপিআই কার্যক্রম সমূহ সফলভাবে বাস্তবায়নের ইউনিসেফের সহযোগিতায় ইপিআই কর্মসূচীতে ই-ট্র্যাকার কার্যক্রম বাস্তবানের লক্ষ্যে  প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

আজ রবিবার অনুষ্ঠিত কর্মশালায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ এর হেলথ অফিসার ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন। বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, সিভিল সার্জন চট্টগ্রাম ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী। ই ট্র্যাকার কার্যক্রম সম্পর্কে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল আরবান স্পেশালিস্ট ডা. প্রসূন রায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায়ও চলমান ইপিআই কার্যক্রম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল তথ্য সমূহ ডিএইচআইএস২ সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রেরন করা হয়। ই-ট্র্যাকার বা ইলেকট্রনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম ডিএইচআইএস২ সফটওয়্যারে নতুন সংযোজন। এর মাধ্যমে নিবন্ধিত কোনো ব্যক্তির সেবা গ্রহণের সকল তথ্যাদি যেমন-সেবা গ্রহণের তারিখ, স্থান এবং সেবার ধরন ইত্যাদি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পর্যবেক্ষন করা যায়। ই-ট্র্যাকার ব্যবহারকারীগন মোবাইল, ট্যাব এবং কম্পিউটারের মাধ্যমে অনলাইনে বা অফলাইনে টিকাপ্রাপ্ত শিশুর তথ্য প্রদান ও পর্যবেক্ষন করতে পারবেন। এছাড়াও ই-ট্র্যাকারের মাধ্যমে বাদ পড়া, আংশিক বাদ পড়া এবং অকার্যকর টিকাপ্রাপ্ত শিশুদের তালিকা প্রস্তুত করা যাবে। ই-ট্র্যাকারের মাধ্যমে সর্বোপরি টিকাদান কার্যক্রমের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা যাবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ইউনিসেফ-এর অর্থায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্যাব সরবরাহ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও টিকাদান কর্মীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমাপ্তি হওয়ার পর স্বাস্থ্য কর্মীদের নিকট ট্যাবগুলো সরবরাহ করা হবে।

ইপিআই কর্মসূচীকে আরো অধিকতর জোরদার ও সফলভাবে বাস্তবায়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নাগরিকদের বিভিন্ন সরকারি সেবাসমূহ প্রাপ্তিতে ই-ট্র্যাকিং কার্যক্রম অনেক সফলতা বয়ে আনবে। বর্তমানে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ইপিআই কর্মসূচীতে ই-ট্র্যাকিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাবো।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ইপিআই কর্মসূচীতে ই-ট্র্যাকার কার্যক্রম বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইপিআই সদর দপ্তর, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চট্টগ্রাম, সিভিল সার্জন চট্টগ্রাম, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কে ধন্যবাদ জানানো হয়।