৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

‘রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত যেতে চেয়েছিলেন। সে কারণে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাকে হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে যে বা যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর

রোহিঙ্গাদের নেতা মুহিবুল্লাহর হত্যার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আজ শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি আরও ‘রোহিঙ্গানেতা মুহিবুল্লাহর হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচারের সম্মুখীন করা হবে।

মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানায় এবং সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রী আজ আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান।

গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-১ ইস্ট-এর ব্লক-ডি ৮-এ মুহিবুল্লাহর নিজ অফিসে পাঁচটি গুলি করে। এ সময় তিনটি গুলি তাঁর বুকে লাগে। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। খবর পেয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যেরা তাঁকে উদ্ধার করে ‘এমএসএফ’ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে উখিয়া থানা পুলিশ রাত ১টার দিকে তাঁর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসেন।

ময়নাতদন্তের পর মুহিবুল্লাহর মরদেহ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে বিকেলেই কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পে জানাজার পর তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় সেখানে হাজার হাজার রোহিঙ্গার ঢল নামে।