নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানাধীন  পাঠানটুলী এলাকায় এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী ও নগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবদুল কাদের ওরফে মাছ কাদের ও তার ২৫ জন অনুসারীকে পুলিশ আটক করেছে ।

গেল মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) রাত ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত পাঠানটুলী ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ বলেন, গুলিতে আজগর আলী বাবুল সর্দার নিহত হওয়ার ঘটনায় আবদুল কাদেরসহ ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে পাঠানটুলীর মগ পুকুর এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের গোলাগুলিতে স্থানীয় মহল্লা সর্দার আজগর আলী বাবুল নিহত হন। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন মাহবুব নামে আরেক কর্মী ।

এ ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগের

‘বিদ্রোহী’ কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আবদুল কাদেরকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে নিহত আজগর আলী বাবুলের ছেলে সেজান মাহমুদ সেতু বাদি হয়ে ডবলমুরিং থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা নম্বর: ১০।

মামলায় ‘বিদ্রোহী’ কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আবদুল কাদেরকে এক নম্বর আসামি করে মোট ১৩ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- মো. আবদুল কাদের (৫০), হেলাল উদ্দিন প্রকাশ হেলাল (৪০), ওবাইদুল করিম মিন্টু (৪৫), আবদুল ওয়াদুদ রিপন (৪২), আবদুর রহিম রাজু (৪৫), আসাদ রায়হান (৩৫), আলাউদ্দিন আলো (৩৫), ইমরান হোসেন ডলার (২৪), দিদার উল্লাহ (৪৮), সালাউদ্দিন সরকার (৪৫), দেলোয়ার রশিদ (৪২), মো. আলমগীর (৪৫) ও আবদুন নবী (৪৭)।

নজরুল ইসলাম বাহাদুর চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সদস্য এবং ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ২০১০-২০১৫ মেয়াদে তিনি ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন।

আর পড়ুন:   প্রথিতযশা সাংবাদিক ও শিক্ষক মাহফুজ উল্লাহ আর নেই

অপরদিকে নগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ২০১৫ সালে ওই ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত আবদুল কাদের নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।