সীতাকুণ্ড  মডেল থানার কোনো কোনো  পুলিশ অফিসার  বিভিন্ন সময়ে নানা জখন্য  অপরাধের সাথে জড়িত থাকায় পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস  একেবারে শূন্যের কোটায় পৌঁছে গেছে।তবুও নিরুপায় মানুষ  প্রতিকার চেয়েও পাচ্ছেনা কোনো আইনগত ভরসা। গেল রাত (সোমবার) সীতাকুণ্ড থানার মাত্র দেড়কিলোমিটার পশ্চিমে মুরাদপুরের  গোলাবাড়িয়া মরহুম মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন ও তার ভাই মৃত আলতাব হোসেন  এ  দুই পরিবারের ছোটবড় নারী-পুরুষ সবাইকে অজ্ঞান করে  স্বর্ণ, টাকা ও মূলবান কাপচোপড়সহ কয়েকলাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় অপরাধী চক্র।অপরাধীর চক্রের কবলে পড়া ওই পরিবারের পক্ষ থেকে আজ  সকাল ৯.৩৩মিনিটে  ৯৯৯-এ ফোন করা হলেও সীতাকুণ্ড মডেল থানার কোনো পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়নি। আত্মীয়স্বজন ও বাড়ির লোকজন রাতভর অজ্ঞান হয়ে থাকা সবাইকে সকাল ১০টার পর সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

সংশ্লিষ্ট পরিবারের লোকজন থেকে জানা গেছে, গতরাত সাড়ে ৮টার দিকে সবাই রাতের খাবার খেয়ে দরজা বন্ধ করে যে যার মতো করে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতেই কেউ কেউ অসুস্থবোধ করলেও জেগে একেঅন্যকে জাগানোর কোনো শক্তি বা বুদ্ধিমত্তা ছিল না। এর মধ্যে অপরাধীরা চালায় লুটপাট।সকাল ৮/৯ টার পরেও কারো কারো জ্ঞান ফিরলেও মাথাঘোরা ও বমি শুরু হয়। মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ারের ভাতিজা সাহাবউদ্দিন ৯৯৯ এ ফোন করলে কিছুক্ষণ পরেই সীতাকুণ্ড মডেল থানার ডিউটিরত অফিসার লিখিতভাবে বিষয়টি জানাতে বলেন।

সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন মৃত মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হাসেনের স্ত্রী আনজুনারা বেগম(৬৫) তার ছেলে মহিউদ্দিন আরফাতের স্ত্রী

নাজমা আক্তার মিনু (৩০) তার মেয়ে নাবিহা(৫), ছেলে নহিব(৩) এবং  আরাফাতের ছোটভাই ইকবাল হোসেন(৩০), আরেকভাই ছালা উদ্দিন (৩৫) তার অন্ত:সত্বা স্ত্রী শারমিন আক্তার(৩০) ছেলে আনাস(৩) । মৃত আলতাফ হোসেন স্ত্রী রৌশনারা বেগম (৭০) তার ছেলে বেলাল হোসেন(৫০) স্ত্রী মীনা আক্তার(৩৫) ছেলে মেহরাজ(৭)এবংএক বছরের মেয়ে নাফিজা। বেলাল হোসেনের ছোটভাইয়ের স্ত্রী নারগিস আক্তার(৩৬) তার ২মেয়ে নরি সুলতানা(১১) ও ফাউজিয়া সুলতানা(৫) ও তাদের আত্মীয় মনোয়ারা বেগম(৫৫)।

আর পড়ুন:   গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে টানা ১২ ঘণ্টা

সীতাকুণ্ডে নানা অপরাধে পুলিশ জড়িয়েপড়া, পাড়ায় পাড়ায় ইয়াবা, হিরোইন সেবনকারী ও বিচারহীনতার কারণে  অপরাধীদের সংখ্যা দিনদিন বেড়ে গেছে। বেড়ে গেছে নানা অপরাধের ঘটনা। প্রতিদিনই  এখানকার কোনো না কোনো এলাকায় চুরি -ডাকাতি,অজ্ঞনপার্টি ও গরুচুরির ঘটনার মতো ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে।কেউ কেউ পুলিশকে জানিয়েও কোনো লাভ না হওয়ায় এখন গ্রামের মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রাত কাটাচ্ছেন।