চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশেনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের কাছে নগরবাসীর চাপ রেড়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে গত মার্চে চসিকের নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হয় তাঁকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কর্পোরেশন অফিসের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি নাগরিকসেবা নির্বিঘ্ন করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যে কারণে নগরীর অধিবাসীদের তাঁর কাছে চাওয়া-পাওয়া বেড়েছে। আজ সোমবার সকালে কর্পোরেশনের আন্দরকিল্লা পুরনো নগরভবনের প্রশাসক দপ্তরে গণস্বাক্ষাতকার অনুষ্ঠানে এ দৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। স্বাক্ষাতপ্রার্থীদের মধ্যে ছিল চসিকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, মহল্লা কমিটির নেতৃবৃন্দ, কো-অপারেটিভ সোসাইটির নেতৃবৃন্দ, সাহায্যপ্রার্থী গরীব অসহায় দুঃস্থ জনসাধারণ।  এ সময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম উপস্থিত ছিলেন।

নগরবাসীকে স্বাক্ষাত প্রদানকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশেনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, আমি সীমিত সময়ের মধ্যে চেষ্টা করছি কর্পোরেশনের অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্য তহবিলের টাকা অগ্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী কিস্তিতে পরিশোধের। ঠিকাদারদের বকেয়াও আছে। সব দেনা এক সাথে দিতে গেলে কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে না। এখন আবার করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ এর ধাক্কা। সব মিলিয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। তারপরও নগরবাসীর ভালোবাসাকে বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীকে পরিচ্ছন্ন মানবিক শহরে পরিণত করতে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

স্বাক্ষাতপ্রার্থীদের মধ্যে শুলকবহর মহল্লা সমাজ কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসকের সহযোগিতা কামনা করেন। মহল্লা সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের ওয়ার্ডের ডেকোরেশন গলি থেকে শুরু হওয়া খালটি অবৈধ দখলের কারণে প্রস্থে ৮ ফুট থেকে ৩ ফুটে নেমে এসেছে বলে প্রশাসককে অবহিত করলে, তিনি তাৎক্ষণিক তা ব্যবস্থা নিতে মুঠোফোনের মাধ্যমে কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন ও প্রকৌশল বিভাগের ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। শুলকবহর মহল্লার স্বাক্ষাত প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন উপদেষ্টা শাহজাহান সুফি, এস এম হাশেম, মো. শাহজাহান, মো. ইলিয়াছ, আকতার ফারুক, মো. সরওয়ার উদ্দীন, মো. আইয়ুব, মো. রেজা সুজা, গিয়াস উদ্দিন, হাজী সরওয়ার্দী প্রমুখ।

এ সময় ইসলামাবাদ কো-অপারেটিভ সোসাইটির নেতৃবৃন্দ তাদের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙতে প্রশাসককে অনুরোধ করলে তিনি তা নিয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ভার্চুয়াল বৈঠকে সুজন

টাইগারপাস কর্পোরেশন অফিসের প্রশাসকের দপ্তরে জুমের মাধ্যমে অনলাইনে ভার্চুয়াল বৈঠকে চসিকের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলার প্রস্তুতি ও করণীয় নির্ধারণের মাধ্যমে চট্টগ্রাম নগরীর অধিবাসীদের কিভাবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখা যায় এ নিয়ে আজ সোমবার সকালে নগরীর টাইগারপাস কর্পোরেশন অফিসের প্রশাসকের দপ্তরে জুমের মাধ্যমে অনলাইনে ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির, চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক গাজী গোলাম মওলা, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার নাথ, সমাজ কল্যাণ অধিপ্তরের পরিচালক নুসরাত সুলতানা, চসিক ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশেনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, মার্চে যখন প্রথম করোনার প্রকোপ দেখা দেয় তখন আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার তেমন প্রস্তুতি ছিলো না। পরবর্তীতে আমরা করোনা মোকাবেলায় আমাদের প্রস্তুতি শুরু করি। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ৩’শ শয্যার পৃথক বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেনারেল হাসপাতাল ও ৩’শ শয্যা নিশ্চিত আছে। তারা আরো ১’শ শয্যার ব্যবস্থা করতে পারবে বলে আমাকে জানিয়েছে। প্রকোপ যদি বেশি বাড়ে সেক্ষেত্রে আমরা আমাদের মেমন জেনারেল হাসপাতাল (ইউনিট-২) তেও করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা করবো। আইসোলেশন সেন্টারগুলোকে প্রয়োজনে আবার চালু করবো। কারণ এসব সেন্টারের যাবতীয় সরঞ্জাম আমাদের আছে। তিনি নগরীর প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকদের সাথেও এ নিয়ে আলাপ করবেন জানিয়ে বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে আমাদের সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে হবে। আমরা চাই না প্রাইভেট হাসপাতাল-ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ যাতে প্রথম বারের মত রোগীদের সাথে আমানবিক আচরণ না করে। এবার যদি কোনো রোগী প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক থেকে চিকিৎসাসেবা পেতে ব্যর্থ হন, তাহলে সেসব হাসপাতালের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করাসহ প্রয়োজনে বন্ধ করে দেয়া হবে।

আর পড়ুন:   স্মৃতিশক্তি বাড়াতে যা করবেন

এ সময় জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি মিয়া কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রশাসককে অবহিত করলে সিভিল সার্জনকে সার্বিক সহযোগিতা করতে তিনি চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে  নির্দেশ দেন।

বৈঠকে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক গাজী গোলাম মৌলা যোগ দিলে, তাঁকে প্রশাসক স্কুল-কলেজের অনলাইন ক্লাসে মাস্ক, সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে পরিস্কার করা, সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করার বিষয়ে শিক্ষার্থী অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করার পরামর্শ দেন।

বৈঠকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর ফারুকের উদ্দেশ্যে প্রশাসক বলেন, পতেঙ্গা সৈকত, শিশু পার্ক, গণ পরিবহন হাটবাজারে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করুন। বিশেষ করে মাস্ক পরিধানে গণ পরিবহনে বাধ্যতামূলক করার ব্যবস্থা নিন। তিনি সামাজিক অনুষ্ঠানসহ বিয়ে-শাদির আকার ছোট করে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেন।

সে সময় প্রশাসক সুজন বলেন, এ মহামারী যে ভাবে পৃথিবীকে শাসন করছে নগরবাসীকে তা থেকে রক্ষায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা করতে বলেন।

প্রশাসকের হাতে পরিচ্ছন্ন কর্মীর জন্য ৪ হাজার শীতবস্ত্র দিল বিজিএমইএ

আঞ্চলিক কার্যালয়ে বিজেএমই’র পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীদের শীতবস্ত্র প্রদানকালে বক্তব্য রাখছেন চসিকের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশেনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, তৈরী পোশাক রফতানী খাত বৈদেশিক আয়ের বড় উৎস। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালে এ খাতে বড় ধরনের আর্থিক প্রণোদনা যুগিয়েছেন। ফলে বৈশ্বিক আর্থিক ধ্বসের মধ্যেও তৈরী পোশাক রফতানী শিল্প খাত ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং সামগ্রিক উন্নয়ন ও অথনৈতিক সক্ষমতার চাকা সচল রয়েছে। তিনি আজ বিকেলে খুলশীতে আঞ্চলিক কার্যালয়ে বিজেএমই’র পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের ৪ হাজার কর্মীদের শীতবস্ত্র প্রদানকালে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, তৈরী পোশাক রফতানী শিল্প কারখানাগুলো করোনাকালের প্রাথমিক দুর্গতি কাটিয়ে উঠে উৎপাদনে ভাল ভাবে ফিরে আসাটাই একটি ইতিবাচক বার্তা। এই বার্তাটির অর্থ হলো শূন্য থেকে শুরু করে পূর্ণতা অর্জন করা। বাংলাদেশ তা বার বার প্রমাণ করেছে। তিনি করোনাকালে বিজিএমইএ’র সেবামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এতে মানবতা জয়ী হয়েছে এবং মানুষ বেঁচে থাকার ভরসা পেয়েছে। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে শীত বস্ত্র উপহার বিজিএমইএ’র একটি মহৎ উদ্যোগ- যা প্রশংসনীয়। তিনি বিজিএমইএ’র প্রস্তাবিত সৌন্দর্য্যবর্ধন কর্মসূচীর বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন। চট্টগ্রাম শহরকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন নগর হিসেবে গড়ে ব্যবসা বিনিয়োগ বান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে বিজিএমইএ সহ ব্যবসায়ী সমাজের সহযোগিতা কামনা করেন ।

আর পড়ুন:   দেশে করোনাভাইরাসে প্রাণ গেল ১৫জনের, নতুন আক্রান্ত দুই হাজার ২৯

এ সময় বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সহ-সভাপতি এ. এম. চৌধুরী সেলিম, পরিচালকবৃন্দের মধ্যে অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন ও এনামুল আজিজ চৌধুরী,  প্রাক্তন প্রথম সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস, প্রাক্তন পরিচালক সাইফ উল্লাহ মনসুর সহ গার্মেন্টস শিল্পের মালিকগণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর প্রশাসকের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেমসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চট্টগ্রামকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম শহরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করায় তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন বিজিএমইএ’র সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদেরকে আসন্ন শীতে নির্বিঘ্নে কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র উপহার হিসেবে প্রদান করতে পারায় বিজিএমইএ গর্বিত। তিনি চট্টগ্রামে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ বিভিন্ন কার্যক্রমে বিজিএমইএ সহ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে মর্মে আশ্বস্ত করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এর কাছে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের (সেবক) জন্য চার হাজারের অধিক পিস শীত বস্ত্র হস্তান্তর করেন।

প্রশাসক খুলশীস্থ বিজিএমইএ ভবনের প্রবেশ পথে রাস্তার উভয় পার্শ্বে বিজিএমইএ’র প্রস্তাবিত সৌন্দর্য্যবর্ধনের স্থান পরিদর্শন করেন।

নালার পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর করলো চসিক

নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর ফিলখানা এলাকায় মধুবন কারখানা কর্তৃক নালা দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও নালার উপর লোহার স্লাব দিয়ে স্বাভাবিক পানি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অভিযানে সীমানা প্রাচীর অপসারণ করে নালার পানি চলাচলের পথ সুগম করা হয়। অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর দিয়ে নালার জায়গা অবরুদ্ধ করার অপরাধে মালিকপক্ষ দোষ স্বীকার করে এবং মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আজ সোমবার সকালে কর্পোরেশনের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা  ফেরদৌস এর নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পাঁচলাইশ থানা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন  পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়কে সহায়তা প্রদান করেন।