৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

পাবনায় চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলায় সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহার, এসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা পুলিশ। এই মামলায় আরো দু’জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন; জাকির হোসেন ড্রাইভার (৩৫) ও সঞ্জু মোল্লা (২২)।

জেলা পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, ইসলামগাঁতি গ্রামের আব্দুস সামাদ সরদারের ছেলে জাকির হোসেন ড্রাইভারকে ও ফলিয়া গ্রামের কালাম মোল্লার ছেলে সঞ্জুকে আজ বৃহস্পতিবার (১২সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার টেবুনিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এসপি বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হককে প্রত্যাহার এবং উপপরিদর্শক (এসআই) একরামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরো দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এনিয়ে গণধর্ষণের মামলায় মোট চারজন গ্রেপ্তার হয়েছে। গণধর্ষণের মামলায় রাসেল ও শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে আসামিরা এক গৃহবধূকে ৪ দিন আটকে রেখে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। একসময় নির্যাতিতা পালিয়ে সদর থানায় আশ্রয় নেন এবং অভিযোগ করেন। কিন্তু তার অভিযোগ আমলে না নিয়ে পুলিশ ধর্ষক রাসেলের সঙ্গে তাকে বিয়ে দেন। এ ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হওয়ায় জেলা পুলিশের নির্দেশে ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে মেয়েটি বাদী হয়ে ৫জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশের ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ সড়কের প্রেসক্লাবের সামনে জেলা মহিলা পরিষদের আয়োজনে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।