১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

যশোরের শার্শায় পুলিশের এসআই খায়রুল ও তার সোর্সের হাতে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে গোটা এলাকায় । অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি এলাকাবাসীর। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ খবর নিশ্চিত করেন যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার। এ সময় বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় ডিএনএ টেস্ট প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সদর হাসপাতাল আরএমও বলেন, ডাক্তারি পরীক্ষায়ও আলামত মিলেছে। তবে বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় ডিএনএ টেস্ট প্রয়োজন আছে। এটা আসলে কোন্ ব্যক্তির কাজ জানার জন্য প্রয়োজন। আমরা বুঝতে পারবো বিষয়টা কার কাজ।

এদিকে, গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা হলেও, প্রধান অভিযুক্তের নাম না থাকায় নানা মহলে প্রশ্ন ওঠেছে। এলাকাজুড়ে বিরাজ করছে থমথমে অবস্থা। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি এলাকাবাসীর।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার সহকারী পুলিশ সুপার। সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান বলেন, ‘এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই বিষয়ে তদন্ত করে শিগগিরই জানানো হবে।’

গত ২৫ আগস্ট যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর এলাকায় মাদক মামলায় স্বামীকে জেলে পাঠানোর ৯ দিন পর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে গোরপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে। পরদিন মঙ্গলবার রাতে প্রধান অভিযুক্ত এস আই খাইরুলকে বাদ দিয়েই শার্শা থানায়  মামলা করা হয়। পরে ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।