৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তিন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন কলেজে বদলিসসহ মোট ৭ জনকে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে জামায়াত-বিএনপি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এসব কর্মকর্তাকে বদলি করতে গত রোববার মহাপরিচালকের কাছে আবেদন জানায় ছাত্রলীগ। সেই আবেদনের মাত্র তিনদিনের মাথায় এসব কর্মকর্তাকে বদলি করা হলো।

বুধবার (২৮ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত আদেশ আপলোড করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত মঙ্গলবার বদলির আদেশে স্বাক্ষর করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: ফরহাদ হোসেন।

এ ছাড়া ঢাকার বাইরের বিভিন্ন কলেজ থেকে কয়েকজনকে শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে বদলিভিত্তিক পদায়ন করা হয়েছে।

জানা যায়, জামায়াত-বিএনপি সংশ্লিষ্টতাসহ বছরের পর বছর এসব কর্মকর্তা শিক্ষাভবনে থেকে দুর্নীতি করে গেছেন। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানায় ছাত্রলীগ।

বেসরকারি কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ফারহানা আক্তারকে মাগুরার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে বদলি করা হয়েছে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহ উন্নয়ন প্রকল্পের উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমানকে ভোলার ফজিলাতুন্নেসা মুজিব সরকারি মহিলা কলেজে এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার উপ-পরিচালক ড. জাহাঙ্গীর হোসেনকে ঝালকাঠি সরকারি কলেজে বদলি করা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আনিকা রাইসা চৌধুরীকে শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার উপ-পরিচালক পদে, সরকারি তোলারাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল কাদেরকে কলেজ শাখার সহকারী পরিচালক এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহ উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প পরিচালক এ এস এম এমদাদুল কবিরকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহ উন্নয়ন প্রকল্পের উপ-পরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে।

গত দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষা প্রশাসনে জামাতপন্থি কয়েক ডজন কর্মকর্তা ঘাপটি মেরেছিলো বলে অভিযোগ তোলে ছাত্রলীগ।

এসব কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করার দাবি জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে সাক্ষাত করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। তারা বিক্ষোভ মিছিলও করেন।