৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী এলাকায় স্ত্রী ও দশ মাসের ছেলেকে গলাকেটে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বিশ্বজিৎ ওরফে বিট্টু মজুমদার নামে এক যুবক।

সোমবার (২২জুলাই)সকাল ১১টার দিকে  পারনান্দুয়ালীর একটি টিনসেড ঘর থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে পুলিশ। এই বাড়িতে তারা ভাড়া থাকতেন।

পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহের জের ধরে রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে কোনো এক সময় বিট্টু এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

নিহতের নাম পূর্ণ মজুমদার (২৫) ও মানব মজুমদার। মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, ৩ বছর আগে পারনান্দুয়ালী মিস্ত্রীপাড়ার নির্মল মজুমদারের ছেলে বিট্টু মজুমদার প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে চুয়াডাঙ্গার সদরের ভাড়ম পাড়ার কালাম শেখের মেয়ে পূর্ণকে বিয়ে করেন। ধর্মীয় কারণে বিট্টুর পরিবার এ বিয়ে মেনে না নেয়ায় তিনি মাগুরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ভাড়া থাকতেন। সর্বশেষ পারনান্দুয়ালীর হাজী আব্দুর রশিদের একটি টিনসেড ঘর ভাড়া নেন তারা। পেশায় বিট্টু থাইমিস্ত্রী। সবসময় কাজ না থাকায় প্রায় তিনি বেকার থাকতেন। দারিদ্রতার কারণে তাদের সংসারে কলহ লেগেই থাকতো। কিছুদিন ধরে বিট্টু স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরই এক পর্যায়ে তিনি এই ঘটনা ঘটান।

তিনি আরও জানান, পুলিশ নিহতদের লাশ মর্গে পাঠিয়েছে। মাগুরা সদর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে বিট্টুর অস্ত্রপচার চলছে। যে ধারালো বটি দিয়ে বিট্টু এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন সেটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিট্টুর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার ১০ মাসের ছেলের মস্তক দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন  হয়ে গেছে।