৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রোটারিয়াগণ তাদের ক্লাবের মাধ্যমে সমাজসেবায় কিছু দুঃসাহসিক সেবাধর্মী কাজ করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। সারা পৃথিবী থেকে পোলিওমুক্ত আন্দোলনী কার্যক্রম রোটারিই শুরু করেছিল। বর্তমান সময়ে এসে মাত্র ২টি দেশে গুটি কয়েক পোলিও রোগি ছাড়া বিশ্ব আজ পোলিও মুক্ত। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত ঘোষণার অগ্রণীতে অন্যন্য ভূমিকা রেখেছে দেশের রোটারি ক্লাব এবং রোটারিয়াগণ। বর্তমানে চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে রোটারি ক্লাবসমূহকে সমাজের সেবামনস্ক নতুন নতুন আঞ্চলিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এতে জনগণের স্বাস্থ্য শিক্ষা, সচেতনতা ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে। চট্টগ্রাম সাগরিকা রোটারি ক্লাবের ১৮তম অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. মো. ইসমাইল খান উপরোক্ত মন্তব্য করেন। গতকাল ২০ জুলাই সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত অভিষিক্ত সভাপতি মোহাম্মদ ফয়জুল কবির চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন সদ্যবিদায়ী সহ সভাপতি  মো. রাশেদুল আমীন। লে. কর্ণেল (অব) অধ্যক্ষ এম আতাউর রহমান পীর রোটারি আন্তর্জাতিক জেলা ৩২৮২ এর গভর্নর হিসেবে উপস্থিত থেকে দেশের রোটারি ক্লাবসমূহের মাধ্যমে চলমান সেবা কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পিডিজি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী, পিজিজি আবুল আহাদ, ডিজিএন মো. বেলাল উদ্দিন, ক্লাব অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্নর মো. সাইফুদ্দিন, পিপি আজিজুল হক, পিপি আমিন সোহেল, পিপি খন রঞ্জন রায়, আজিজুল ইসলাম বাবুল, মো. আরিফ আহম্মদ প্রমুখ।

সভায় গত সেবাবর্ষে ক্লাব কার্যক্রমে ও সভাসমূহে শতভাগ উপস্থিতির জন্য বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়। সম্মাননা প্রাপ্ত রোটারিয়ানগণ হলেন প্রফেসর ড. মো. তৈয়ব চৌধুরী, রেজাউল করিম চৌধুরী, মো. মনিরুজ্জামান,  সৈয়দ মো. তারিক, খন রঞ্জন রায়, মো. আজিজুল হক, নূর মোহাম্মদ চৌধুরী, ফয়জুল কবির চৌধুরী, আজিজ বাবুল, ডা. তরুণ, আমীন সোহেল, ফতেমা জোহরা মুকুল। সভায় রোটারি সেবা কর্মকাণ্ডে বিশেষ ২টি সেবাধর্মী প্রকল্পের অনুদান সংশ্লিষ্টদের হাতে প্রদান করা হয়।