৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে আবারও ডুবে গেছে চট্টগ্রাম নগরের একাধিক এলাকা।

বৃষ্টিতে ওয়াসার মোড়, দুই নম্বর গেট, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ সিডিএ, হালিশহর, জাকির হোসেন রোড, অক্সিজেন, বহদ্দারহাট, চকবাজার, মুরাদপুর,  কাতালগঞ্জসহ নগরীর নিচু এলাকাগুলো হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি।

ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, অফিস ও বসতঘরে ঢুকে পড়েছে পানি। জলমগ্ন হয়ে আটকা পড়ছে হাজার হাজার পরিবার।

   লাগাতার বৃষ্টিতে পানি ঢুকে পড়েছে চান্দগাঁও ইপসা অফিসে

এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চাকরিজীবী, শিক্ষার্থীসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। অনেক জায়গায় পানিতে গণপরিবহন বিকল হয়ে যাওয়ায় জনসাধারণ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

সকাল থেকে বৃষ্টির ও জলাবদ্ধতার কারণে অতিরিক্ত ভাড়া গুনে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে নগরবাসীকে। আর এ জলাবদ্ধতার জন্য নগরীর খালগুলো দখল এবং নালা নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার না হওয়াকে দায়ী করলেন নগরবাসী।

লাগাতার  কয়েকদিনের বর্ষণে ইতোমধ্যে শুধু চট্টগ্রাম শহর নয়, আশপাশের বেশিরভাগ উপজেলার গ্রামীণ জনপদের অবস্থাও চরম আকার ধারণ করেছে। রাস্তাঘাটসহ সবধরনের ক্ষেত্রের সব্জী পানির নীচে তলিয়ে গেছে। পানি ঢুকে পড়েছে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বানের পানিতে চোখের সামনেই ভেসে যাচ্ছে হাজারো পুকুর- দীঘির মাছ। যৎসামান্য যে আউশ ধান (বেশিরভাগ জমিতে অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে ধানচাষ সম্ভব হয়নি) তাও পানিতে ডুবে আছে গত কয়েকদিন ধরে। হাজার হাজার বাড়িঘরে পানি থৈ থৈ করছে। অনেক জনপ্রতিনিধির বসত ঘরও বানের পানি গ্রাস করে ফেলেছে। কয়েকবছর আগেও এসব বানের পানি বৃষ্টি থামলেই তা দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যেত। গত ২/৩বছর ধরে বানের পানি সহজে সরছেনা।এসব জনপদের বেশিরভাগ মানুষের সহায় সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতিসহ এখন চরম দুর্ভোগের শেষ নেই। শুধু চট্টগ্রাম নয়, দেশের বহু জেলা –উপজেলায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। নালা-নর্দমা ও খাল বিলের ওপর অপরিকল্পিত বাড়িঘর ও কলকারখানা নির্মাণ করায় জলবদদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয়ায় সংশ্লিষ্ট   প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।