৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্বকাপ পর্ব শেষে দেশে ফেরেন টাইগার ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান। সামনে আবার শ্রীলংকা সফর। মাঝে সময় খুব কম। এ সময়টা মুস্তাফিজ বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগালেন। বিশ্বকাপের আগেই সারেন বিয়ে। এবার বৌ-ভাতের আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফেললেন তিনি।

বিয়ের সময় জানিয়ে রাখা হয়, বৌ-ভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন বিশ্বকাপের পরে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে। সে অনুষ্ঠানটিই শনিবার (১৩জুলাই) নিজ বাড়িতে আয়োজন করেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুস্তাফিজের পরিবার। আত্মীয়, বন্ধু, এলাকাবাসী ছাড়াও রাজনীতিক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় তিন হাজার মানুষের উপস্থিত ছিলেন এ অনুষ্ঠানে।

শনিবার সকাল থেকে বৌভাত অনুষ্ঠানে আসতে শুরু করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। তবে আনন্দের দিনেও সংবাদ মাধ্যমের সামনে বরাবরের মতো চুপচাপ থাকেন মুস্তাফিজ। বাড়িতে সুসজ্জিত আসনে স্ত্রী সুমাইয়া পারভীন শিমুকে নিয়ে পাশাপাশি বসেছিলেন এ কাটার মাস্টার। সেখানেও সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেননি মুস্তাফিজ।

তবে মুস্তাফিজুর রহমানের বাবা আবুল কাশেম গাজী ছেলের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, ‘আপনারা আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন। আপনারা যারা আমন্ত্রণে হাজির হয়েছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে মুস্তাফিজের গ্রামের বাড়িতে বৌভাত অনুষ্ঠান হয়। তার এ বৌভাত অনুষ্ঠানে যোগ দেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, স্থানীয় সিনিয়র সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অতিথি আপ্যায়নের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে খাসির বিরিয়ানি, গরুর মাংস, দধি ও কোকোকোলা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য ছিল খাসির বিরয়ানি।

গত ২২ মার্চ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার হাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা সুমাইয়া পারভীন শিমুর সঙ্গে বিয়ে হয় মুস্তাফিজুর রহমানের। শিমু বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। শিমুর বাবা রওনাকুল ইসলাম বাবু মুস্তাফিজুর রহমানের মেজো মামা। মায়ের ইচ্ছায় ‘কাটার মাস্টার’ এ বিয়ে করেন।