১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক থেকে এবার এক কোটি ১৪ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। রীতি অনুযায়ী তিন মাস পর শনিবার(১৩জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ৮টি দান সিন্দুক খুলে বিকেলে গণনা শেষে এই পরিমাণ টাকার হিসাব পাওয়া যায়। এ ছাড়া দান হিসেবে নগদ টাকার পাশাপাশি প্রায় দুই কেজি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার এবং বিভিন্ন মুদ্রাও পাওয়া গেছে।

এর আগে গত ১৩ এপ্রিল দান সিন্দুক খুলে এক কোটি ৮ লাখ ৯ হাজার ২০০ টাকা এবং বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল।

শনিবার সকাল ৯টায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন নেতৃত্বে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সিন্দুক খোলা উপকমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে দান সিন্দুকগুলো খোলা হয়। সেখান থেকে টাকা বস্তায় ভরে পরে গণনা শুরু হয়। টাকা গণনায় রূপালী ব্যাংকের কিশোরগঞ্জ শাখার ২৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় অর্ধশত মাদ্রাসা ছাত্র অংশ নেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন এর তদারকি করেন। পরে পরিদর্শন করতে আসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনোয়ার হোসেন ও মীর মো. আল কামাহ তমাল। এ ছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে সভাপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনম নৌশাদ খান ও মুক্তিযোদ্ধা জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার মো. আসাদউল্লাহ টাকা গণনা কাজ তদারকি করেন।

আনম নৌশাদ খান জানান, পাওয়া টাকা গণনা শেষে শনিবারই রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখায় জমা করা হয়েছে।

পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, পাগলা মসজিদের উন্নয়নে এবার আধুনিকতার ছোঁয়াসহ মসজিদ ও কমপ্লেক্সটিকে দৃষ্টিনন্দন করার জন্য খ্যাতনামা একটি স্থাপত্য নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা নকশার কাজ করছে। এ ছাড়া মানবিক কাজের জন্য আরও কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।