৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রামের আনোয়ারার আলোচিত গণধর্ষণ মামলার আসামি আব্দুর নূরের (২৮) গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার সকালে উপজেলার হাজিগাঁও পাহাড়ে চায়না ইকোনোমিক জোন এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দেশিয় তৈরি এলজি, দুইটি কার্তুজ, দুইটি গুলির খালি খোসা, তিনটি ছুরি উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে আনোয়ারা থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে।

নিহত আব্দুর নূর উপজেলার বৈরাগ এলাকার আব্দুস সত্তারের ছেলে। তিনি আনোয়ারা কোরিয়ান ইপিজেডের গার্মেন্টস কর্মী গণধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ  জানান, হাজিগাঁও পাহাড়ের ভেতর থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি আব্দুর নূরের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ছিনতাই করা টাকা ভাগবাটোয়ারা করার সময় দু’পক্ষের গোলাগুলিতে আব্দুর নূর মারা যান। নিহতের বিরুদ্ধে ছিনতাই মামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আরো তিনটি মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই রাত ৮ টায় কারখানায় ছুটি হওয়ার পর চন্দনাইশে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক গার্মেন্টস কর্মী চাতরী চৌমুহনীতে পৌঁছালে দুবৃর্ত্তরা সিএনজিতে তুলে চায়না রোড এলাকায় নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়। মামলার পর শুক্রবার রাতে সিএনজি চালক মো. মামুন (১৮) ও মো. হেলাল উদ্দীনকে (৩০) পুলিশ গ্রেফতার করে।শনিবার তাদেরকে আদালতে তুললে ১৬৪ ধারায় তারা স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন। ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে পুলিশ শানাক্ত করে।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহবুব মিলকী বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত চারজনের মধ্যে দুজন গ্রেফতার ও একজন প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছে। মামলার ২নং আসামি শহিদুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।