৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রবিবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জননিরাপত্তা বিভাগের ছয়টি দফতর ও সংস্থার বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে এ কথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামনে যে চ্যালেঞ্জ আসছে সেগুলো মোকাবেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাই প্রতিনিয়ত পরিকল্পনা করছে। নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। সারা বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী সক্ষমতা দেখাচ্ছে। অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। সব ধরনের খবরকে প্রাধান্য দিয়ে তারা কাজ করে। শ্রীলংকায় একটা ঘটনা ঘটেছে, সে জন্য সরকার একটা সমন্বয় ব্যবস্থা নিয়েছিল। সবাই সজাগ ছিল বিধায় কোনো অঘটন ঘটেনি।

সরকার টার্গেট নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো। ২০২১ সালে জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার ৫০ বছর পালন করবো। আমাদের নির্বাচনে যে টার্গেটগুলো ছিল তা বাস্তবায়নে কাজ করবো। আমাদের সফলতার হার ৯৭ শতাংশের ওপরে। কাজেই শতভাগ তেমন কিছু নয়।’

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা একটা ব্যাপক কাজ। সব ধরনের নিরাপত্তার জন্য আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ কাজ করছে। আমরা বহু চ্যালেঞ্জ ইতোমধ্যে মোকাবিলা করেছি। প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় নিরাপত্তা বিভাগকে তাদের সক্ষমতা, দক্ষতা এবং তাদের যা যা প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রী তার ব্যবস্থা করেছেন বলেই যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার, এনটিএমসি, অপরাধ ট্রাইব্যুনাল– সবাই তাদের কাজ সঠিকভাবে করবে বলেই আমরা মনে করি।’

দুর্নীতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্নীতি সব সময় ছিল। ভবিষ্যতে যাতে দুর্নীতি কমে যায়, তার একটা পরিকল্পনা রয়েছে। সেই কাজটি করছে সরকার। এজন্য স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন সৃষ্টি হয়েছে। তারা যে কাউকে তলব করছে। যেখানে দুর্নীতির আভাস পাই সেখানেই আমাদের বিভাগীয় প্রসিডিং হচ্ছে।’

আর পড়ুন:   সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ মারা যাননি, বিএনপির দুঃখ প্রকাশ

তিনি বলেন, ‘যা যা করণীয় সব করছি। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। যে দুর্নীতি করবে, যে আইন অমান্য করবে, অপরাধ অনুযায়ী তার শাস্তি হবে, বিচার হবে।’

নিরাপত্তা নিয়ে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ আছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ধরনের ক্রাইম করে, তারা যথেষ্ট মেধা নিয়ে ক্রাইম করে। ইদানিং দেখছি সাইবার ক্রাইম বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই জন্য আমরা সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে শক্তিশালী করছি। আমাদের পুলিশের একটা ইউনিটই গঠন করেছি সাইবার ক্রাইম দমনের জন্য। আমাদের ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেল (এনটিএমসি) শক্তিশালী করা হয়েছে।’