১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন,ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা এদেশের জনগণের দাবি ।‘জনগণের কথা না শুনলে সরকারকে অকল্পনীয় শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। লালদীঘি মাঠে কেনো সমাবেশের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। এ মাঠ-তো কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, জনগণের সম্পদ। সড়কের এক পাশে চিপা জায়গায় অনুমতি দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করেছে প্রশাসন। আমি এটির জন্য মামলা করবো, এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি পেতেই হবে।’

শনিবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে জনসভায় ড. কামালসহ ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বক্তৃতা করেন।

ঐক্যফ্রন্টের দেওয়া সাত দফা দাবি মেনে নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এ সাত দফা জনগণের দাবি। সরকারকে অনুরোধ করবো এ সাত দফা দাবি মেনে নিতে। জনগণের কথা অমান্য করলে সরকার যে শাস্তির মুখোমুখি হবে তা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।’

নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।

সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আবদুল্লাহ আল নোমান,নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

এদিকে সমাবেশকে ঘিরে নগরীতে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়। ভোর থেকে পুলিশের একাধিক টিম নুর আহমেদ সড়ক, কাজীর দেউড়ি এলাকায় অবস্থান করছে। সমাবেশের চারপাশে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায়ে নবগঠিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের চট্টগ্রামে এটি দ্বিতীয় সমাবেশ। এর আগে এ জোট সিলেটে সমাবেশ করেছিল ২৪ অক্টোবর ।