৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

দেশে বন্দরবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বন্দরমন্ত্রী দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিজিএমইএ’র সাবেক প্রথম সহসভাপতি এসএম আবু তৈয়ব।

সোমবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ‘উন্নয়ন রোডম্যাড-চট্টগ্রাম বিভাগ’শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ এর আলোকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটি চট্টগ্রাম চেম্বারের সহযোগিতায় এ সেমিনারের আয়োজন করে।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান।

এসএম আবু তৈয়ব বলেন, দেশে এই প্রথম কোনো রাজনৈতিক দলের কমিটি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার আগে স্থানীয় সম্ভাবনা জানতে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী যতদিন আছেন দেশে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। বে টার্মিনালকে জাতীয় অগ্রাধিকার তালিকায় ১ নম্বরে স্থান দিতে হবে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের সহ-সভাপতি এএম মাহবুব চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ২০০৮ সালে ১০ লাখ ৭৯ হাজার টিইইউস হ্যান্ডলিং করত। এখন ৩০ লাখ টিইইউস হ্যান্ডলিং হচ্ছে। এটি দেশের উন্নয়ন চিত্র। বে টার্মিনাল হবে দেশের লাইফ লাইন। বে টার্মিনালের জন্য পৃথক সেল ও অফিস দরকার। ১৪টি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) এক ঘণ্টা কনটেইনার না দিলে বন্দর অচল হয়ে যাবে। বে টার্মিনালে আইসিডির বিকল্প সুযোগ রাখতে হবে।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ সালাম বলেন, মীরসরাইয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চল যেন যাকে তাকে দেওয়া না হয়। তাহলে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা আছে। ইদানীং শুনছি চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা খেলাপি। আমাদের দিকে আঙুল তোলা হয়। কিন্তু সিঙ্গেল ডিজিট সুবিধা পাই না। কেউ সুদ দিতে পারছে না, তার ওপর ২ শতাংশ জরিমানা দিতে হয়। রুগ্ন শিল্প আইন দরকার।