৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

২০ অক্টোবর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়ে সেখানে চমক দেয়ার কথা জানিয়েছে জাতীয় পার্টি। দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার জানিয়েছেন, এই সমাবেশে জাতিকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

রবিবার (১৪অক্টোবর)দলের চেয়ারম্যান এরশাদের বনানীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন হাওলাদার। মহাসমাবেশের ঘোষণা দিতেই গণমাধ্যমকর্মীদেরকে ডাকেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এটাই শেষ মহাসমাবেশ জানিয়ে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের অবশ্যই উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়া হয় এ সময়।

জাপা মহাসচিব বলেন, ‘এই মহাসমাবেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতিকে একটি দিক নির্দেশনা দেবেন এরশাদ। আগামীতে আমাদের জোটের কলেবর বাড়বে, জোট আরও বড় হতে পারে।’

‘আমরা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেব। আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এ জোট। জনগণের নিকট জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে প্রার্থীদের তালিকা করা হচ্ছে।’

সহনশীল অবস্থায় ঐক্যবদ্ধভাবে দেশবাসীকে সুন্দর দেশ দিতে চান এরশাদ। এখন নির্বাচনের যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তাতে সম্মিলিত জোট নির্বাচনে ভালো করবে।’

২০০৭ সালের বাতিল হওয়া নবম সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ জাতীয় পার্টি ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনের আগে জোট ছেড়ে দেয়। আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলটি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে নির্বাচনের কথা যেমন বলছে, তেমনি এককভাবে লড়াইয়ের ঘোষণাও দিচ্ছে বারবার।

তবে ভেতরে ভেতরে সিদ্ধান্ত হয়ে আছে, বিএনপি-জামায়াতের জোট যদি ভোটে আসে, তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আবার হবে মহাজোট, আর তারা না এলে ৩০০ আসনেই দেয়া হবে আলাদা প্রার্থী।

রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রস্তুতি আছি। তবে আগামীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত আসবে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই। পরিস্থিতি বুঝে আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান সিদ্ধান্ত নেবেন।

আগের দিন গঠিত ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে- জাপা মহাসচিব বলেন, ‘রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই, নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন অনেক কিছুই হবে। এটা গণতান্ত্রিক চর্চা। আমাদের সঙ্গে জোটে যেকোনো দল যেকোনো সময় আসতে পারে, আমাদের জোটে যারাই আসতে চাইবে, আমরা স্বাগত জানাব।’

আর পড়ুন:   এফআর টাওয়ার নির্মাণে অনিয়মে জড়িত রাজউক কর্মকর্তারা: তদন্ত প্রতিবেদন

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির (জাপা) সাংসদ-সদস্য ও সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুসহ জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।