৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলি। আজ (১১অক্টোবর)বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে ওড়িশার গোপালপুর এবং কলিঙ্গপট্টনমে তিতলি আছড়ে পড়েছে। সঙ্গে প্রবল জলোচ্ছ্বাস ও প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

জানা যায়, প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা ভূমিধস হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে গেছে এবং কুচা এলাকায় বহু বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গোপালপুর এবং বার্হামপুরসহ বেশ কিছু এলাকায় যোগাযোগ ব্যহত হচ্ছে।

ঝড়ের গতিবেগ ছিল প্রাথমিকভাবে ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার। ওড়িশার গোপালপুরে আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতি ছিল প্রতি ঘণ্টায় ১০২ কিলোমিটার।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ১৮ ঘণ্টায় আরো শক্তি বাড়াবে ওই ঘূর্ণিঝড়। কাল ভোরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে সরে গোপালপুর ও কলিঙ্গপত্তনমের ওপর দিয়ে ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ অতিক্রম করবে। এরপরে ফের একই জায়গায় ঘুরে এসে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের দিকে সরে যাবে। সেখানে পৌঁছে ধীরে ধীরে শক্তি কমবে ঝড়ের। এর প্রভাবে বাংলাদেশে ঝরবে বৃষ্টি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, তিতলির প্রভাবে উপকূলীয়সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হবে। কাল শুক্রবারও এর প্রভাবে বৃষ্টি হবে। চট্টগ্রাম, মংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারে ৪ নম্বর বিপদসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা, ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।