১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সাধারণ মানুষের বোঝার সুবিধার্থে এখন থেকে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল  হবে বাংলায়। বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে সরকার যেসব কাজ করছে, তার সারসংক্ষেপও থাকবে ওই বিলে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশ জারি করা হয়েছে। ওই আদেশে বলা হয়েছে, এক মাসের মধ্যে বিলিং ফরম্যাট বাংলায় করতে হবে। পাওয়ারসেলকে বিষয়টি সমন্বয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাকছুদা খাতুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিলে ‘উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’-এর ব্র্যান্ডিং লোগো থাকতে হবে।

এখন গ্রাহকের কাছে যে বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হয় তার কোনোটি পুরোটাই ইংরেজিতে, আবার কোনোটির ক্ষেত্রে আংশিক ইংরেজি এবং আংশিক বাংলা ভাষার প্রয়োগ করা হয়। এ কারণে সব বিতরণ কোম্পানির বিল অভিন্ন ফরম্যাটে করার নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড জানিয়েছে, দেশের শতভাগ মানুষের কাছেই বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছে সরকার। আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ দেশের শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। চলতি বছরের মধ্যে প্রায় ৩১৯ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে। বাকি উপজেলাগুলোতে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ শেষ হবে আগামী বছরই।

গ্রামীণ জনপদের অধিকাংশ মানুষই ইংরেজি বোঝে না। ফলে তাদের জন্য বাংলায় বিল করা হলে বুঝতে সুবিধা হবে—এই চিন্তা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত সম্প্রসারণের প্রকৃত অবস্থা সাধারণ মানুষের কাছে এই বিলের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।

সাধারণ মানুষের বোঝার সুবিধার্থে এখন থেকে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হবে বাংলায়। বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে সরকার যেসব কাজ করছে, তার সারসংক্ষেপও থাকবে ওই বিলে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশ জারি করা হয়েছে। ওই আদেশে বলা হয়েছে, এক মাসের মধ্যে বিলিং ফরম্যাট বাংলায় করতে হবে। পাওয়ারসেলকে বিষয়টি সমন্বয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আর পড়ুন:   সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান, মদ ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার

বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাকছুদা খাতুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিলে ‘উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’-এর ব্র্যান্ডিং লোগো থাকতে হবে।

এখন গ্রাহকের কাছে যে বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হয় তার কোনোটি পুরোটাই ইংরেজিতে, আবার কোনোটির ক্ষেত্রে আংশিক ইংরেজি এবং আংশিক বাংলা ভাষার প্রয়োগ করা হয়। এ কারণে সব বিতরণ কোম্পানির বিল অভিন্ন ফরম্যাটে করার নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড জানিয়েছে, দেশের শতভাগ মানুষের কাছেই বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছে সরকার। আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ দেশের শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। চলতি বছরের মধ্যে প্রায় ৩১৯ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে। বাকি উপজেলাগুলোতে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ শেষ হবে আগামী বছরই।

গ্রামীণ জনপদের অধিকাংশ মানুষই ইংরেজি বোঝে না। ফলে তাদের জন্য বাংলায় বিল করা হলে বুঝতে সুবিধা হবে—এই চিন্তা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত সম্প্রসারণের প্রকৃত অবস্থা সাধারণ মানুষের কাছে এই বিলের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।

কর্মকর্তারা বলছেন, সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ খাতের অগ্রগতির কথা খুব বেশি জানে না। নানা মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর চেয়ে প্রতি মাসে যে বিলের কাগজ গ্রাহকের কাছে যায়, তাতে উন্নয়নের বিভিন্ন বর্ণনা দেওয়া যেতে পারে। এতে একই খরচে বিল আদায়ের সঙ্গে প্রচারণারও ব্যবস্থা হতে পারে। বিদ্যুৎ বিভাগ সংবাদপত্র, টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন প্রচারের পাশাপাশি ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালায়।

দেশে বিতরণ কোম্পানিগুলোতে এখন প্রায় আড়াই কোটি গ্রাহক রয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পাশাপাশি পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), নর্দান ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো), ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক রয়েছে আরইবির। সংস্থাটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়। সমিতিগুলো নিজেরাই বিদ্যুৎ বিল আদায় করতে বিল প্রস্তুত করে থাকে।

আর পড়ুন:   ডা. এখলাছের স্ত্রী রহিমা আক্তার আর নেই

এই নতুন বিদ্যুৎ বিলের আরেকটি সুফল বলা হচ্ছে, অভিন্ন ফরম্যাট হওয়ায় গ্রাহকের ওপর বিভিন্ন ধরনের চার্জও বিতরণ কোম্পানি চাপিয়ে দিতে পারবে না। এজন্য একটি ফরম্যাটও বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে তৈরি করে দেওয়া হবে।

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেইন এ প্রসঙ্গে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই চেষ্টা করা হচ্ছিল বিলগুলো যাতে বাংলায় হয়। বাংলায় হলে সাধারণ মানুষ সহজেই বিলের কাগজটি পড়তে পারবে। বারবার বলা হলেও সবক’টি বিতরণ কোম্পানি বাংলায় বিল করছিল না। কিছু কিছু কোম্পানি শুরু করলেও তাও পুরো বাংলা হচ্ছিল না। কিছু বাংলা কিছু ইংরেজিতে করা হচ্ছিল। তাই এবার কড়াকড়ি করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ফরম্যাট বদল করে বাংলায় বিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিলের মধ্যে শুধু বিল নয়, সরকার বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে যেসব কাজ করছে তাও লেখা থাকবে সংক্ষিপ্ত আকারে। এতে সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারবে সরকার বিদ্যুৎ খাতের জন্য কী কী কাজ করছে।’