৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আজমল হোসেন, মীরসরাই * পবিত্র ঈদুল আযহাকে ঘিরে গরু প্রস্তুত রয়েছে নাহার ডেইরী ফার্মে। দেড়শতাধিক গরু এবার বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানে। মীরসরাইয়ের সোনাপাহাড় নাহার ডেইরী ফার্ম, চট্টগ্রামের সাগরিকা, এক কিলোমিটার, ওয়ার্লেস,হারভাঙ্গ, করেরহাট নলখোঁ ও পাহাড়িকা ডেইরী ফার্মে বিক্রির জন্য এসব গরু রাখা হয়েছে।

নাহার এগ্রো গ্রুপের পরিচালক তানজীব জাওয়াদ রহমান বলেন, নাহার ডেইরী ফার্মে সম্পন্ন আধুনিক প্রদ্ধতিতে গরু পালন করা হয়। গরু মোটাতাজা করণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ আর ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয় না। নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত ঘাস ও ফিড খাওয়ানো হয় এসব গরুকে। তাই ক্রেতাদের মধ্যে আমাদের গরুর বেশ কদর রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কোরবানীর জন্য গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছে ক্রেতারা। ইতিমধ্যে কিছু গরু অনলাইনেও বিক্রি হয়েছে।

নাহার এগ্রো গ্রুপের জিএম (প্রোডাক্টন) মনোজ কুমার চৌহান জানান, এ বছর কোরবানীর জন্য ফার্মে ১৫২ টি ছোট বড় গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।  ৪শ থেকে ৯শ কেজি মাংস রয়েছে বিভিন্ন গরুতে। ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা থেকে ৩ লাখ মুল্যের গরু রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমরা গরু মোটাতাজা করণে কোন ধরনের ক্ষতিকারক মেডিসিন ও খাদ্য ব্যবহার করিনা। নিজেদের চাষ করা নেপিয়ার ঘাষ ও ফিড খাওয়ানো হয়। তাই ক্রেতাদের মধ্যে নাহার ডেইরী ফার্মের গরুর চাহিদা রয়েছে। আগামী বছর আরো বেশি কোরবানীর জন্য গরু প্রস্তুত করা হবে বলে জানান তিনি।

নাহার এগ্রো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুর রহমান টুটুল জানান, শুধু ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয় সেবার মানসিকতায় ফার্ম থেকে কোরবানীর জন্য গরু বাজারজাত করছি।

১৯৮৬ সালে মাত্র একটি গরু দিয়ে যাত্রা শুরু করেন ১৪ বছর বয়সের কিশোর রাকিবুর রহমান টুটুল। বর্তমানে নাহার ডেইরী ফার্মে ১১৬৩টি গরু রয়েছে (কোরবানী উপলক্ষে বিক্রির জন্য ১৫২টি ব্যতিত)।