৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রাত থেকে এখনও টানা ভারী বৃষ্টিতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষ। জলাবদ্ধতা  দেখা দিয়েছে  নিম্নাঞ্চলগুলোতে। বাকলিয়া, চকবাজার,  চান্দগাঁও, সিডিএ আবাসিক, আগ্রাবাদ, মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট, প্রবর্তক মোড়সহ নিচু এলাকায় জমেছে হাঁটুপানি।  ঢাকনাবিহীন  ম্যানহোল, ভাঙা রাস্তাঘাট এখন পথচারীদের যেন মৃত্যুকুপে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম শহরে বেশিরভাগ ডুবে থাকা সড়ক। লাগাতার  প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম শহর নয় এর আশপাশের উপজেলার অনেক রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গেছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ডিউটি অ্যাসিস্ট্যান্ট মোহাম্মদ রুবেলজানান, মঙ্গলবার সকাল নয়টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গায় ৭৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি জানান, ভোর ৪টা ৪১ মিনিটে কর্ণফুলী নদীতে জোয়ার শুরু হয়েছে। সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে ভাটা শুরু হবে। দ্বিতীয় জোয়ার আসবে বিকেলে ৫টা ২০ মিনিটে। ভাটা শুরু হবে সোয়া ১১টায়।

শহরের বাইরে সীতাকুণ্ড ও  মীরসরাই উপজেলায় ভারী বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম।অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়েছে। নষ্ট হয়েছে ফসলের ক্ষেত। বানের পানিতে ভেসে যাচ্ছে পুকুরের মাছ। নিম্নাঞ্চলের অনেক ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠ পানিতে যেন একাকার। টানা বর্ষণ চলতে থাকলে কৃষকের ফসলহানি ও মৎস্যচাষীদের সীমাহীন ক্ষতির কবলে পড়তে হবে- যার প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতির ওপর।

ভারী বর্ষণের সতর্কবাণী

মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াসহ ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

অতি ভারী বর্ষণের কারণে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বসের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে অধিদফতর।

এদিকে, সোমবার (২৩ জুলাই) উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা না থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আর পড়ুন:   ২২ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল