১৭ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ১লা জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

ভারতের দেয়া ৩১৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কিছুটা ধীরগতির সূচনা করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। তবে বেশিদূর যেতে পারলেন না। দশম ওভারে দলীয় ৩৯ রানে মোহাম্মদ সামির বলে বোল্ড হয়ে যান তামিম। ৩১ বল থেকে ৩টি চারের মারে ২২ রান করেন তামিম। এখন সৌম্যর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন সাকিব আল হাসান। ১০ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ এক উইকেটে ৪০ রান।

মঙ্গলবার (০২ জুলাই)  এডবাস্টনে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে রোহিত শর্মার সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ৩১৪ রান করে ভারত। ফিল্ডিংয়ে নেমে ১৮ রানেই রোহিতকে ফেরানোর সুযোগ পায় টাইগাররা। সেই সুযোগই মিস করেছেন তামিম ইকবাল। মুস্তাফিজের করা ইনিংসের পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে সহজ ক্যাচ মিস করেন তিনি। জীবন পেয়েই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন রোহিত। তুলে নেন সেঞ্চুরিও। শেষ পর্যন্ত দলীয় ১৮১ রানে সৌম্য সরকার ভাঙেন ওপেনিং জুটি। আউট হওয়ার আগে ৯২ বল থেকে ১০৪ রান করেন রোহিত।

রোহিত শর্মার পর আউট হন আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুল। দলীয় ১৯৫ রানে রুবেল হোসেনের বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৯২ বল থেকে ৭৭ রান করেন তিনি। এরপর ৩৯তম ওভারে এসে জোড়া আঘাত হানেন মুস্তাফিজুর রহমান। দলীয় ২৩৭ রানে বিরাট কোহলিকে (২৬) রুবেলের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। ওভারের দ্বিতীয় বলে কোহলি আউট হন। একই ওভারের চতুর্থ বলে শূন্য রানেই ফিরেন হার্দিক পান্ডে।

পরপর দুই উইকেট হারানোর পরও ঋষভ পান্তের ব্যাটে ঝড় চলছিল। শেষ পর্যন্ত দলীয় ২৭৭ রানে ৪১ বল থেকে ৪৮ রান করে সাকিবের প্রথম শিকারে পরিণত হন পান্ত। এরপর ৪৮তম ওভারে দলীয় ২৯৮ রানে দিনেশ কার্তিককে ফেরান মুস্তাফিজ। শেষ ওভারে দলীয় ৩১১ রানে ৩৩ বল থেকে ৩৫ রান করে মুস্তাফিজের চতুর্থ শিকারে পরিণত হন ধোনি। পরে ভুবনেশ্বর কুমার রান আউট হন দলীয় ৩১৪ রানে। ইনিংসের শেষ বলে মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে যান সামি।

বাংলাদেশের জন্য এ ম্যাচটি বাঁচা-মরার লড়াই। কারণ সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে এ ম্যাচে অবশ্যই জিততে হবে বাংলাদেশকে। সাত ম্যাচ থেকে সাত পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সাত নম্বরে। অপরদিকে গত রবিবার ভারতকে হারানোর পর ৮ ম্যাচ থেকে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট এখন ১০।

সেক্ষেত্রে সেমিফাইনালে যেতে বাংলাদেশকে আজ ভারত ও শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারাতে হবে। তাতেও শেষ হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ড ম্যাচের দিকেও। সেই ম্যাচে ইংল্যান্ড জিতে গেলে দুই ম্যাচ জিতেও লিগ পর্ব থেকে ঘরে ফিরতে হবে টাইগারদের।