১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

 

ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্নাকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারি স্বাক্ষরিত আলাদা চিঠিতে তাদের ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সেগুনবাগিচায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

জানা যায়, মিজানুর রহমানকে ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টায় ও তার স্ত্রীকে দুপুর আড়াইটায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগে এর আগে গত ৩ মে ডিআইজি মিজানুরকে দুদকে সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধানে মিজানুরের নামে-বেনামে কয়েক কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৭৯ লাখ ৩৬ হাজার ৬৫০ টাকার স্থাবর ও ৭৪ লাখ ৩৪ হাজার ১১৩ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে— পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটির আওতায় পাঁচ কাঠা জমি, পূর্বাচল নতুন শহরে পাঁচ কাঠা জমি, পুলিশ অফিসার্স বহুমুখী সমবায় সমিতির আওতায় ৭ কাঠা ৫০ শতাংশ জমি এবং ফ্ল্যাট। এছাড়া বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে নিজ এলাকায় ৩২ শতাংশ জমিতে ২ হাজার ৪০০ বর্গফুটের দোতলা বিলাসবহুল আবাসিক ভবনও রয়েছে। ভবনটি নির্মাণে ৬৩ লাখ ৭০ হাজার ৬৪১ টাকা খরচ করা হয়েছে।

মিজানুর রহমান তার ভাই মাহবুবুর রহমানের নামে ৫৫ লাখ ৫১ হাজার ৮৪০ টাকা মূল্যের ২ হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট কিনেছেন। এ ছাড়া নামে-বেনামে তার রয়েছে নানা সম্পদ।

অনুসন্ধানে মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্নার স্থাবর-অস্থাবর ৮৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৫ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। তার আয়ের উৎস পাওয়া যায় মাত্র ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৯৮৩ টাকা। আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ ৭২ লাখ ৯০ হাজার ৯৫২ টাকার। তার নামে রাজধানীর উত্তরায় ৬৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার ফ্ল্যাটসহ অন্যান্য সম্পদ রয়েছে।