১৫ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ২৯শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

এসডিজি ইয়ুথ সামিট-২০২২ এর রেজিস্ট্রেশন ২৬ মে থেকে শুরু হয়েছে । রাজধানী ঢাকার গুলশানে পার্টনার অর্গানাইজেশন ম্যাসলো বাংলাদেশের হলরুমে এক অনাড়ম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশনের শুভ সূচনা হয়।  সামিটের ওয়েবসাইট-

sdgyouthsummit.org তে  রেজিষ্ট্রেশন লিংকটি পাওয়া যাবে।

ভিশন ২০৪১ কে সামনে রেখে বাংলাদেশে এসডিজি (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস) বাস্তবায়নে বৃহত্তর তরুণ-সমাজকে সম্পৃক্ত করার জন্য অনুষ্ঠিত হচ্ছে এসডিজি ইয়ুথ সামিট ২০২২। দেশের ৯টি সংস্থা ও সংগঠনের সমন্বয়ে আগামী জুলাই মাসের ২৩-২৪ তারিখ কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বৃহৎ এই সামিট।

সামিটের আয়োজক সংগঠনগুলো হলো – দ্য আর্থ সোসাইটি, ইয়াং পাওয়ার ইন সোস্যাল একশন (ইপসা), গ্লোবাল ল থিংকার সোসাইটি, ম্যাসলো বাংলাদেশ, উই ক্যান কক্সবাজার,  ইন্সপারেশন ফর হিউম্যান ওয়েলফেয়ার, প্যারেন্টস এজিং ফাউন্ডেশন, বেকারত্ব হটাও ও বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসডিজি ইয়ুথ সামিটের উপদেষ্টা শারমিন আফরোজ সুমি’র সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক ও প্রযোজক  অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড, অভিনেত্রী সুমনা সোমা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সামিট ম্যানেজম্যান্ট টিমের সদস্য আরেফিন পায়েল ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোঃ মোসলেহ উদ্দিন সূচক।

অনুষ্ঠানে এসডিজি ইয়ুথ সামিটের ৯টি পার্টনার অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

অভিনেত্রী সুমনা সোমা তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, ” আজকের তরুণনেরা যা ভাবছে সেটি তার একার জন্য নয়। তরুণরা তার দেশকে নিয়ে ভাবছে। এর চেয়ে ভালো দিক আর কিছু হতে পারে না। একেকজন তরুণ আলাদা আলাদা সংগঠনকে প্রতিনিধিত্ব করছে। যদি প্রতিটি সংগঠন বড় আকারে রুপ নেয় তবে দেশে বেকারত্ব দূর হবে।  কারণ দেশে এখন শিক্ষিত-অশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ”

চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড বলেন, ” আমরা যদি সবাই এক সাথে কাজ করি তবে যেকোনো কিছুই করা সম্ভব। আমি মনে করি, এসডিজি ইয়ুথ  সামিট সকলের সমন্বয়ে এগিয়ে যাবে এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে। পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নে তরুণরা অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।”

এসডিজি ইয়ুথ সামিটের উপদেষ্টা ও ম্যাসলো বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শারমিন আফরোজ সুমি বলেন, “তরুণরা স্বপ্ন দেখে। যে স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হলে আমাদের দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। তাই আমরা বিশ্বাস করি আমাদের এই এসডিজি ইয়ুথ সামিট তরুণদের ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করবে। প্রতিটি যুবকের আলাদা আলাদা ভাবনাগুলো এক হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে।”