১৫ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ || ২৯শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

বছরে স্কুলে ক্লাস হয় মাত্র দেড়শ দিন। বাকি সময় উৎসব, সাপ্তাহিক ছুটি ও পরীক্ষার কারণে বন্ধ থাকে। ফলে সিলেবাস শেষ করতে হিমশিম খেতে হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। এ কারণে ছুটি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

বিভিন্ন উৎসব, দিবস, গ্রীষ্ম ও শরৎকালীন ছুটি উপলক্ষে বন্ধ থাকে ৮৫ দিন। আর পরীক্ষার ছুটি আছে ৩৬ দিন। এছাড়া পিইসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষায় অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে দুই মাস বন্ধ থাকে।

উদয়ন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ উম্মে সালেমা বেগম বলেন, “ছুটির কারণে অনেক সময়ই আমরা সিলেবাস শেষ করতে পারি না। তাই কিছুটা সমস্যাও হয়।”

অভিভাবকরা বলছেন, ক্লাসে সিলেবাস শেষ না হওয়ায় কোচিং করাতে বাধ্য হয় শিক্ষার্থীরা। অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, ” এমনিতেই অনেক শিক্ষক কোচিং করাতে বাধ্য করে তার ওপর এই ছুটির কারণে আমরাও কোচিংয়ে পাঠাতে বাধ্য হই।”

শিক্ষাবিদরা বলছেন, ক্লাস রুটিন এমনভাবে করতে হবে শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিষ্ঠানেই বিষয়গুলো ভালভাবে বুঝতে পারে। সেজন্য ছুটির ফাঁদ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বের করতে হবে।  নিয়মিত ক্লাস যাতে হয় সেজন্য সার্বক্ষনিক নজরদারির পরামর্শ তাদের। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ছুটি কমাতে পরীক্ষা নেয়ার জন্য জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে আলাদা পরীক্ষাকেন্দ্র  করা হবে।

কোনো প্রতিষ্ঠান সাপ্তাহিক ছুটি বেশি কাটাচ্ছে কিনা সেদিকেও নজরদারি করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।